‘সুফী চর্চা: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যুক্ত করবে’

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২২, ১৩:২৪

শেষতম, শ্রেষ্ঠতম এবং পূর্ণতম নবী ও রসূল, যিনি প্রেম ও প্রজ্ঞার সম্রাট হজরত মোহাম্মদ (স.) এর জন্মদিন উপলক্ষে হাকিমাবাদ খানকাশরিফে মিলাদুন্নবী (স.) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  

বাংলা সাহিত্যের ধ্রুপদী কবি, ৭০টিরও বেশি গ্রন্থের প্রণেতা, তাফসির-ই-মাজহারী (বাংলা) এর পুনঃলেখক ও সম্পাদক, প্রজ্ঞাময় আধ্যাত্মিক সুফী আদর্শের প্রতীক এবং মোর্শদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ভূইগড়, নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত হাকিমাবাদের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ (র.) ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের লেখক, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মিগণসহ দেশিবিদেশি বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দের অংশগ্রহণে এই অসাধারণ অনুষ্ঠানটির আয়োজন শুরু করেন আজ থেকে প্রায় তিন দশক আগে। তারই ধারাবাহিকতায় এবছর মিলাদুন্নবী (স.) মহফিলে বিশেষ অতিথি হয়ে অংশগ্রহণ করেন ঢাকাস্থ তুরস্ক দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মুস্তফা উসমান তুরান। 

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে তুরস্কের কোনিয়া রাজ্যে অবস্থিত সুফীকুল শিরোমণি মাওলানা জালালুদ্দিন রূমি (র.) কর্তৃক পৃথিবীময় ‘ভালোবাসা ও প্রশান্তি’ বিস্তারে প্রকৃত সুফী ধারা চর্চার আদলে ‘স্রস্টার সঙ্গে সৃষ্টির আত্মিক বিলীন হওয়া’র শিক্ষা ও বাণী প্রচারে হাকিমাবাদ খানকার অব্যাহত কার্যক্রমের জন্য প্রতিষ্ঠাতা সুফী মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ (র.) এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, মহানবী (স.) এর আদর্শকে অনুসরণের মাধ্যমে এবং সুফী ধারার এই চলমান চর্চা বাংলাদেশ ও তুরস্কের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্রের মাঝে সম্পর্কে নতুন মাত্রা যুক্ত করবে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতি হাকিমাবাদের বর্তমান পীরসাহেব ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শামীম আক্তার তার বক্তব্যে মানুষের জীবনের প্রধান লক্ষ্য এবং প্রকৃত সাফল্যলাভের উপায় হিসাবে নবীজীর আদর্শ অনুসরণের যথার্থ শিক্ষাগ্রহণ জরুরি উল্লেখ করে সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে চলমান অস্থিরবিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তুরস্কের রাষ্ট্রপ্রধান রজব তাইপে এরদোগানের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করে তার উদ্যোগের সাফল্যের জন্য দোয়া করেন এবং রাষ্ট্রদূত মুস্তফা উসমান তুরানকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবার জন্য উষ্ণ অভিনন্দন জানান। 

কবি কামরুজ্জামান তরুনের সূচনা সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি আল মুজাহিদী, উপন্যাসিক ইউসুফ শরীফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্সিয়ান লিটারেচারের অধ্যাপক ড. শাকির সবুর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক আবু তোয়াব শাকির, লেখক, নাট্যকার এবং ভ্রমণ ম্যাগাজিন সম্পাদক আবু সুফিয়ান প্রমুখ। 

.