প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থীদের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি শেষ সময়ে আরও একটু বেশি সহজ করার জন্য আজ গণিত বিষয়ে কয়েকটি দিকনিদের্শনা উপস্থাপন করছি। গণিত এমন একটি বিষয় যে বিষয়টিতে বন্ধুরা খুব সহজেই শতভাগ নম্বর অর্জন করতে পারবে। শতভাগ নম্বর অর্জনের জন্য কয়েকটি ধাপ তোমাদের অনুসরণ করতে হবে। ১ নং প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে করার জন্য শুধু গণিতের নিয়মগুলোর যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে তোমাকে জ্ঞান, অনুধাবন ও প্রয়োগমূলক প্রশ্নগুলোর যথাযথ সমাধান করতে হবে। সমাধান করার সময় যদি রাফ করার প্রয়োজন হয় তবে সমাধানটি খাতার মাঝেই সমাধান করতে পার এক্ষেত্রে সমাধানটি দুইবার করার প্রয়োজন হবে না। ১ নং প্রশ্নের উত্তর করার জন্য তোমাদের সংজ্ঞা ও সূত্র সঠিকভাবে লিখতে হবে। পাঠ্যবইয়ের উদাহরণ সমূহ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। তাই মনোযোগ দিয়ে পাঠ্যবইয়ের পৃষ্ঠা ২, ৭, ১২, ২১, ২২, ৩৬, ৪৩, ৫৪, ৬২, ৯৪, ৯৬, ৯৮, ১১৫, ১২৮, ১২৩, ১৩৬, ১৫২, ১৫৪ গুলোর সমস্যার সমাধান করবে। জ্যামিতি অংশ থেকে তোমাদের জন্য সংক্ষিপ্ত ও ৮ নং প্রশ্নটি আসবে। তাই জ্যামিতির চতুর্ভুজের প্রত্যেকটি চিত্র ও বৈশিষ্ট্য তোমাদের জানতে হবে। বৃত্তের বিভিন্ন অংশের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য সর্ম্পকে জানতে হবে। ৮ নং প্রশ্নে তোমাকে সঠিকভাবে নিয়ম অনুযায়ী চিত্র অঙ্কন করতে হবে। এবং চিত্রটির সঠিক বৈশিষ্ট্য সমূহ তোমাকে লিখতে হবে।
প্রশ্নপত্রে তোমাদের জন্য ২ নং থেকে ৭ নং এবং ৯ নং থেকে ১১ নং প্রশ্নগুলো যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন দেয়া হবে। প্রতিটি প্রশ্নে তোমার জন্য একটি অতিরিক্ত প্রশ্ন থাকবে। এক্ষেত্রে তোমাদের প্রথম করণীয় হবে তুমি যে সমস্যাটি সঠিকভাবে এবং নির্ভুল নিয়মে সমাধান করতে পারবে সেই সমস্যাটিই সমাধান করবে। পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ কয়েকটি শুদ্ধ নিয়ম তোমাদের দেয়া আছে। তোমরা তোমাদের সুবিধা মতো সঠিক নিয়মে সমস্যা গুলোর সমাধান করবে। অঙ্কের সমস্যা সমাধানে পাঠ্যবই বহির্ভূত নিয়মের ব্যবহার না করাই উত্তম। প্রিয় বন্ধুরা গণিতের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে যে সাধারণ ভুলগুলোর জন্য তোমার সমস্যার সমাধানটি সঠিক হয় না তা তোমরা যোগ-বিয়োগের ক্ষেত্রে ভুল করে থাক। তোমরা অনেক সময় রাফে সঠিক উত্তর নির্ণয় করতে পারলেও উত্তর পত্রে মানটি বসাতে ভুল কর। যেসকল অঙ্কে কাটাকাটি করবে সেক্ষেত্রে কাটাকাটির পর মান বসাতে ভুলে যাবে না। একটি সমাধানের তথ্য অন্য সমস্যায় বসাতে গিয়েও অনেক সময় ভুল তথ্য মনের অজান্তেই লিখে ফেলছো। তাই তোমাদেরকে পরীক্ষার সময় ধীর স্থিরভাবে উত্তর করতে হবে। পরীক্ষা কম পক্ষে ১০ মিনিট পূর্বে শেষ করার চেষ্টা করবে যেন, উত্তর পত্রটি তুমি মনোযোগ দিয়ে রিভাইস করতে পারো। আশাকরি তোমরা উপরের নিদের্শনা অনুসরণ করলে ভালো ফলাফল করতে পারবে।
