থাইল্যান্ডের শিশু ডে-কেয়ার সেন্টারে সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার হামলায় ২৩ শিশুসহ ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কেন্দ্রে থাকা ২৪ শিশুর মধ্যে ২৩ শিশুই নিহত হয়েছে। বেঁচে আছে শুধু একটি শিশু। তিন বছর বয়সী ওই শিশুর নাম অ্যামি। খবর বিবিসির।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যামি হামলার বিষয়ে কিছুই বলতে পারে না। ওই দিন কি হয়েছিল, কিছুই জানে না সে। বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নং বুয়া লাম্ফু প্রদেশে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হামলাকারীর সৎছেলে ও স্ত্রীও নিহত হয়েছেন।
হামলার দিন ছোট্ট অ্যামি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে তার বন্ধুর সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। আর ওই হামলাকারী কেন্দ্রে থাকা ঘুমন্ত শিশুদের ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রে থাকা ২৪ শিশুর মধ্যে কেবল অ্যামি প্রাণে বেঁচে গেছে।
কেন্দ্রে থাকা তিন বছর বয়সী ১১টি শিশুকে সকালেই আঁকা ও লেখার কাজ করানো হয়। কাজ শেষে সবাই উচ্ছ্বসিত ছিল। সকাল ১০টার দিকে শিক্ষকেরা ওই শিশুদের হাসি মুখের ছবি অভিভাবকদের কাছে পাঠিয়েছিলেন।
এর দুই ঘণ্টা পরই ছিল শিশুদের ঘুমানোর সময়। এই সময় পুলিশের সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল পানিয়া খামরাব কেন্দ্রের ভেতর বন্দুক ও ছুরি নিয়ে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলাকারী প্রথমে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের কর্মীদের ওপর গুলি চালায়। শিশুদের তিনটি কক্ষে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দিলে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক শিক্ষককেও গুলি করেন তিনি। এরপর দরজা ভেঙে কক্ষে ঢুকে ঘুমিয়ে থাকা অ্যামির বন্ধুদের হত্যা করেন তিনি।
