বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৬ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

নারী এশিয়া কাপ

বৃষ্টিতে আটকে গেলো বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২২, ১১:১৭

বৃষ্টিতে থেমে গেলো বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজকের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে জয়ের উদ্দেশ্যে ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিলো নিগার সুলাতানা জ্যোতির দল। হঠাৎই বাগড়া দিলো বৃষ্টি। লঙ্কান ইনিংসের ১৯ তম ওভারে সিলেটের আকাশ ভেঙ্গে ঝরতে শুরু করলো বৃষ্টির পানি। আর তাতেই থেমে গেলো খেলা।

বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ১৮.১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৩ রান তুলতে পেরেছে শ্রীলঙ্কা। রুমানা-মেঘলাদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে অল্প রানেই বেধে ফেলার লক্ষ্যেই এগোচ্ছিলো বাংলাদেশ।

টস জিতে লঙ্কানদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান টাইগ্রেস অধিনায়ক জ্যোতি। দ্বিতীয় ওভারেই তার সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেন পেসার জাহানারা আলম। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আথাপাথুকে বোল্ড করে ১ রানেই ফিরিয়ে দেন জাহানারা। দলীয় ৬ রানেরি প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। 

তিন নাম্বারে নামা আনুশকা সঞ্জীওয়ানিকে সঙ্গে নিয়ে আরেক ওপেনার হর্ষিতা মাদাভি প্ররতিরোধ গড়ে তুললেও খুব বেশিদূর এগোতে পারেননি। অষ্টম ওভারের শেষ বলে দুজনের ২৫ রানের জুটি ভেঙ্গে দলীয় ৩১ রানের মাথায় হর্ষিতাকে ফেরান সানজিদা মেঘলা। ফেরার আগে লঙ্কান ওপেনার করেন ৩১ বলে ১৮ রান।

পরের ওভারের প্রথম বলেই আবারও লঙ্কান শিবিরে আঘাত হানেন রুমানা আহমেদ। আনুশককে ফেরান ৮ রানে। পরপর দুই উইকেট হারিয়ে চফাপে পরে যায় শ্রীলঙ্কা। চতুর্থ উইকেটে সেই চাপ সামাল দেন হাসিনি পেরেরা আর নীলাক্ষী ডি সিলভা। দুজন মিলে গড়েন ২৯ রানের জুটি। দলীয় ৬০ রানের মাথায় হাসিনিকে ফিরিয়ে শ্রীলঙ্কাকে আরেকবার ধাক্কা দেন ফাহিমা খাতুন। সাজঘরে ফেরার আগে হাসিনি করেন ১৭ বলে ১১ রান।

পঞ্চম উইকেটে কবিশা দিলহারিকে সঙ্গে নিয়েও ১৭ রানের জুটি গড়েন নীলাক্ষী। ১৮তম ওভারের তৃতীয় বলে দলের ৭৭ রানের মাথায় কবিশাকে ফেরান রুমানা। 

বাংলাদেশের বোলারদের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান এক নীলাক্ষী। ১৯তম ওভারে বৃষ্টিবাধায় খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৩১ বলে ২৮ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন নীলাক্ষী। ২ বলে ১ রান তার সঙ্গে ক্রিজে আছেন ওশাদি রানাসিংহে।

ইত্তেফাক/এসএস