নওগাঁয় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২২, ১১:৩০

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার কানইল-ধর্মপুর খালের পাড় থেকে অবাধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) এখনো গাছ কাটা চলছে।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১০ বছর আগে ওই খালের দু'পাড়ে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে লাগানো হয় শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। হঠাৎ গত এক সপ্তাহ ধরে দেদারছে গাছগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কানইল গ্রামের মিনারুল ইসলামের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৫/৬ জন লেবার দিয়ে ২২ থেকে ২৫টি গাছ কাটা হয়েছে। গাছগুলো কেটে ডাঙ্গাপাড়া প্রেট্রোল পাম্পের পাশে স মিলে রাখা হয়।

এলাকাবাসী আরও জানায়, খাল খনন করে পাহাড়ের উপর বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) গাছগুলো লাগিয়েছিল। এগুলো সরকারি গাছ।

লেবারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা কানইল গ্রামের রাকিবের কথামত এখানে গাছ কাটতে এসেছে।

এ বিষয়ে কাঠ ব্যবসায়ী রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন, আমি ধরমপুর গ্রামের মজিদ মেম্বারের ছেলে রায়হান ও লতিফের ছেলে আরিফের কাছ থেকে গাছ কিনে নিয়েছি। তারা বলেছে গাছগুলো তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির ওপর রয়েছে। আমি মোস্তাকুরের কাছ থেকে ৯টি গাছ, রায়হানের কাছ থেকে ৯টি এবং আরিফের কাছ থেকে ৮টি গাছ কিনেছি। আমি তাদের বলেছি, যদি কোন সমস্যা হয় তার দায়ভার আপনাদের নিতে হবে। 

মজিদ মেম্বরের ছেলে রায়হান ও লতিফের ছেলে আরিফ বলেন, গাছগুলো আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তির ওপর রয়েছে। যখন খাল খনন করা হয় হয় আমাদের জমির ওপর মাটি ফেলে পাহাড় করে ফেলে। গাছগুলো এমনিতেই হয়েছে। এর আগে অনেকে আমাদের অজান্তে কেটে নিয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে আমরাই গাছগুলো বিক্রি করেছি।

সহকারী প্রকৌশলী (বিএমডিএ) হারুন-অর-রশিদ বলেন, আমি নতুন এসেছি। গাছগুলো আমাদেরই। আমাদের অজান্তে কে বা কারা গাছগুলো কেটে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবো। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইত্তেফাক/পিও/এআই