অবশেষে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকের দুই মাসের তথ্য একসঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে আগস্টে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা সামান্য কমে ৯ দশমিক ১০ শতাংশে রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার একনেক সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য জানান। আগস্টে মূল্যস্ফীতি অনেক বেড়ে যাওয়ায় এ তথ্য এত দিন প্রকাশ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে মূল্যস্ফীতি ১১ বছর তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গেলেও সেপ্টেম্বরে তা কিছুটা কমেছে।
মূল্যস্ফীতির তথ্য নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতির কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। তবে এখন মূল্যস্ফীতি কমতির দিকে। সামনে তা আরো কমবে। তবে সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। বাজার নজরদারি আরো জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা কিছু পণ্যে ভ্যাট উঠিয়ে দিয়েছি, আমদানি শুল্কও কমানো হয়েছে, ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্টরা নিয়মিত কথা বলছেন। প্রয়োজন অনুসারে বাজার অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে।’ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যত ধরনের পদ্ধতি আছে, সব ব্যবহার করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাস শেষে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ। এ নিয়ে পরপর দুই মাস মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। জুলাইয়ে দেশে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
