আবারও ব্যর্থ শান্ত

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২২, ১১:৪৪

ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে রানের পাহাড় তুলে দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে সেই পাহাড় টপকাতেই হবে বাংলাদেশকে। ২০৮ রানের সেই পাহাড় টপকাতে নেমে দুইবার জীবন পেয়েও ব্যর্থ টাইগার ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। 

১২ বলে ১১ রান করতেই শান্ত জীবন পেয়েছিলেন দুইবার।সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ আলোচিত-সমালোচিত এই ব্যাটার। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় ২৪ রানের মাথায় অ্যাডাম মিলনের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান শান্ত। এর আগে শূন্য রানেই প্রথম জীবন পান শান্ত। ব্যক্তিগত ১০ রানের মাথাতেও আরেকবার জীবন পেয়েছিলেন এই টাইগার ওপেনার। 

এর আগে ক্রাইস্টচার্চে টসে জিতে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। টাইগারদের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ২০৮ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। এ নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০০ রান পেরোলো কিউইরা।

একাদশে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে টাইগাররা। দলে ঢুকেছেন সৌম্য সরকার, সাইফউদ্দিন ও এবাদত হোসেন। দল থেকে বাদ পড়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডও নামে তিন পরিবপ্ররতন নিয়ে। নিয়মিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, মিচেল স্যান্টনার ও ব্লেয়ার টিকনারকে বিশ্রাম দিয়ে একাদশে ফেরানো হয়েছে অভিজ্ঞ মার্টিন গাপটিল, অ্যাডাম মিলনে ও ট্রেন্ট বোল্টকে।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে কিউইদের উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ফিন অ্যালেন ও ডেভন কনওয়ে। দলীয় ৪৫ রানে অ্যালেনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম।

দ্বিতীয় উইকেটে কিউইদের হয়ে কনওয়ে ও গাপটিল মিলে গড়েন ৮২ রানের জুটি। দলীয় ১২৭ রানে গাপটিল ২৭ বলে ৩৪ রান করে এবাদত শিকার হলে এই জুটি ভাঙে। 

তৃতীয় উইকেটে গ্লেন ফিলিপস ও ডেভন কনওয়ের জুটিতে আসে ৩৪ রান। ৩০ বলে ৩ ছক্কা আর ৫ চারে ৬৪ রান করে দলীয় ১৬১ রানে সাইফউদ্দিনের বলে আউট হন কনওয়ে। ওই ওভারেই মার্ক চ্যাপমেনকেও ফেরান সাইফউদ্দিন। 

তবে ক্রিজের অন্যপ্রান্তে গ্লেন ফিলিপস শেষ দিকে ঝড় তোলের টাইগার বোলারদের ওপর। ২৪ বলে ৫ ছক্কা আর ২ চারে ৬০ রান করেন এই কিউই ব্যাটার। দলীয় ২০৫ রানে ফিলিপসকে ফেরান এবাদত হোসেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে শেষে ৫ উইকেটে ২০৫ রান সংগ্রহ করতে নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন এবাদত ও সাইফউদ্দিন, আর শরিফুল ইসলাম নেন ১টি উইকেট।

ইত্তেফাক/এসএস