ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনীর কমান্ডার স্বীকার করেছেন, খেরসনে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের শহর ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে জেনারেল সের্গেই সুরুভিকিন জানান, ইউক্রেনের সেনাদের নিক্ষেপ করা হিমার্স রকেট শহরের অবকাঠামো ও বাড়িঘরে আঘাত করছে। খেরসনের বাসিন্দাদের নিরাপদে শহর ছেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে সব রকম সহায়তা করবে রাশিয়ার সেনা সদস্যরা। বিশেষ সামরিক অভিযানের পুরো এলাকাজুড়েই উত্তেজনা রয়েছে।
তার এই বক্তব্য ইউক্রেনে হামলা চালানো রাশিয়ার সেনাদের সংকটে থাকার বিরল এক স্বীকারোক্তি। এরআগে স্থানীয় শীর্ষ একজন কর্মকর্তাও এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।
রুশ সমর্থিত আঞ্চলিক কর্মকর্তা কিরিল স্তেরেমোসভ এরআগে খেরসনের বাসিন্দাদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন।
কিরিল স্তেরেমোসভ টেলিগ্রামে পোস্ট করেছিলেন, 'আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন, আমি পরামর্শ দিচ্ছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শহর ছেড়ে চলে যান। দানিয়েপার নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত জনগণ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।'
ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে হামলা শুরু পর খেরসন শহরটি প্রথম দখল করেছিল রাশিয়া।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে আশেপাশের এলাকা পুনরুদ্ধার করতে শুরু করে ইউক্রেনের বাহিনী। তারা এখন দানিয়েপার নদীর দক্ষিণে ৩০ কিলোমিটার পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছে। ফলে সেখানে থাকা রাশিয়ার সেনাদের ফাঁদে আটকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
হামলা শুরুর পর রাশিয়ার দখলে নেয়া ইউক্রেনের একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী খেরসেন। ক্রেমলিন এখন দাবী করছে, খেরসেন এবং ইউক্রেনের অন্য তিনটি এলাকা রাশিয়ার অংশ হয়ে গেছে। আঞ্চলিক সম্প্রদায় এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
