শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

যৌবনের আঠারোতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২২, ০১:২৮

১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জগাবাবুর পাঠশালাটি নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ৮ম জাতীয় সংসদের ১৮তম অধিবেশনে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন–-২০০৫’ সংসদে উত্থাপিত হয় এবং ওই বছরেরই ২০ অক্টোবর সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে জগন্নাথ কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকেই ২০ অক্টোবরকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আজ ২০ অক্টোবর আঠারোতে প্রবেশ করলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

জানা যায়, ১৮৫৮ সালে ব্রাহ্মস্কুল, ১৮৭২ সালে রূপান্তরিত হয়ে জগন্নাথ স্কুল, ১৮৮৪ সালে এসে ঢাকা জগন্নাথ কলেজ নাম হয়। নারী শিক্ষার বাধা দূর করতে ১৯৪২ সালে জগন্নাথ কলেজে সহশিক্ষা চালু হয়। ১৯৪৮ সালে তা বন্ধ হলেও ১৯৬৩ সালে পুনরায় সহশিক্ষা চালু হয়। ১৯৭৫ সালে স্নাতকোত্তর কোর্স। শুরুতে এটি অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও বর্তমানে একটি ছাত্রী হল রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় ২০১৮ সালের শেষের দিকে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদ, ৩৬টি বিভাগ এবং ২টি ইনস্টিটিউট রয়েছে। ৬৭৮ জন শিক্ষক ও ১৪ হাজার ২৭০ জন শিক্ষার্থী আছেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ২৪৫ জন এমফিল এবং ১৪১ জন পিএইচডি করছেন।

রেজিস্ট্রার অফিস জানায়, ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বর্ণাঢ্য আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করবে বিশ্ববিদ্যালয়। সকাল ৯টায় উপাচার্যকে বিএনসিসি কর্তৃক গার্ড অব অনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এছাড়াও প্রকাশনা উৎসব, আনন্দ র‌্যালী, চারুকলা প্রদর্শণী এবং বিভিন্ন ব্যান্ডদলের পরিবেশনা থাকবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দিতে কাজ করছি। গবেষণা খাতে গতবারের চেয়ে বাজেট দ্বিগুণ করেছি। লাইব্রেরি, আইসিটিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বাজেট বাড়ানো হয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়টিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সর্বক্ষেত্রে তারা রাখছে সফলতার ছাপ।

ইত্তেফাক/ইআ