সরকার বিএনপির সমাবেশে সহযোগিতা করেছে: কাদের

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২২, ১৬:৪৮

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার বিএনপির সমাবেশে বাধা তো দেয়নি, বরং প্রশাসনিক সহযোগিতা দিচ্ছে। সরকার কিংবা আওয়ামী লীগ কখনও বিএনপির সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেনি, করবেও না।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর সেতু ভবনে ব্রিফিংকালে তিনি একথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বিএনপি নেতারা মনগড়া বক্তব্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে তাদের সমাবেশের প্রতিপক্ষ বানানোর অপচেষ্টা করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, তাদের সমাবেশে লোকসমাগম হলে বলে সরকার ব্যর্থ। আবার লোকসমাগম না হলে বলে সরকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

চট্টগ্রামে বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগ বা সরকারের কোনও বাধা কি ছিল- প্রশ্ন করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, পরিবহন ধর্মঘটও তো হয়নি। তাহলে চট্টগ্রামে তাদের জনসভাস্থলই পূর্ণ হয়নি কেন?

খুলনার সমাবেশ বাধাগ্রস্ত করতে বাস ধর্মঘটের যে কথা বলেছেন বিএনপি মহাসচিব- সে প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেখানেও সরকার বা আওয়ামী লীগ কোনও হস্তক্ষেপ করেনি, করবেও না। তিনি বলেন, ধর্মঘট ডেকেছে পরিবহন মালিক শ্রমিক। তারা যদি তাদের পরিবহন ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার অভাব বোধ করে তাহলে সরকার বা আওয়ামী লীগের কী করার আছে?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

ওয়ান ইলেভেন নাকি আওয়ামী লীগ সৃষ্টি করেছে– মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের জবাবে কাদের পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, ওয়ান ইলেভেনের আগে ক্ষমতায় কারা ছিল? বিএনপিই তখন তাদের দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার লক্ষ্যে আইন সংশোধন করে বিচারপতিদের বয়স বাড়িয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলো।  রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করেছিলো।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার সৃষ্টি এবং এম এ আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন গঠন করে পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলো বিএনপি। এমতাবস্থায় ১/১১ তে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিলো।

ইত্তেফাক/এমএএম