সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী দুই দিনব্যাপী দীপাবলি উৎসব উপলক্ষে প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয়েছিলো নগরীর কাউনিয়া এলাকার মহাশ্মশান। প্রিয়জনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে দ্বীপ জ্বেলে নানা উপাচার ও ফুল দিয়ে সমাধি সাজিয়ে প্রার্থনা করে স্বজনদের। পরিবারের ছোট-বড় সবাই এসেছিলেন তাদের প্রিয়জনকে স্মরণ করতে। বাদ যাননি বৃদ্ধ ও শিশুরাও।
গতকাল রবিবার সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে মোমের আলোয় আলোকিত হয়েছিল পুরো এলাকা। ৭০ হাজার সমাধির এ মহাশ্মশানে নিরাপত্তা নিশ্চিতে শ্মশান দীপালী এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র্যাবসহ সাদাপোষাকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ছিলো। পাশাপাশি শ্মশান রক্ষা কমিটির একশ’ স্বেচ্ছাসেবক। উৎসব চলাকালে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।
বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সভাপতি মানিক মুখার্জী কুডু জানান দুইশ বছরের মহাশ্মশানে কাঁচা পাকা সমাধি মিলিয়ে প্রায় এখন ৭০ হাজার সমাধি রয়েছে। উৎসব উপলক্ষে সমাধি মন্দির গুলোকে রংতুলি আচরে নতুন করে সাজানো হয়েছে। প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশের পিতা সত্যানন্দ দাশগুপ্ত, পিতামহ সর্বানন্দ দাশগুপ্ত, ব্রিটিশবিরোধী নেতা বিপ্লবী দেবেন ঘোষ, মনোরমা বসু মাসিমাসহ বহু খ্যাতিমান মানুষের সমাধি রয়েছে এই মহাশ্মশানে।
