শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

সৌদি আরবের ব্যবসায়ী মোঃ আইয়ুব চান দেশের মানুষ

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২২, ১৩:৪৯

মোঃ আইয়ুব সৌদি আরবের একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি বিশ্বাস করেন পরিশ্রমে। শ্রম ও অধ্যবসায় তাকে এনে দিয়েছে আজকের অবস্থানে। চলার পথে নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার অদম্য সাহস ও আত্মবিশ্বাসই তাঁর ভরসা।

২০০৭ সালে জীবিকার তাগিদে পারি জমান সৌদি আরবে সাধারণ  কর্মী হিসেবে। বেতন ছিল অল্প। এই স্বল্প বেতনের টাকা দিয়ে চলতে থাকে জীবন সংগ্রাম।

দিনরাত হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে থাকেন আইয়ুব। তাঁর দুচোখে ছিল স্বপ্ন, প্রতিনিয়ত স্বপ্ন তাড়া করে বেড়াত কীভাবে একজন সফল ব্যবসায়ী হতে পারেন। সেই স্বপ্ন অনেকটাই বাস্তবায়ন হয়েছে।

তার কোম্পানির নাম আল তাহিন ট্রেডিং কোম্পানি।  

এখানে সমগ্র সৌদি আরবে তিনি এয়ারকন্ডিশনের সব ধরনের  পাটর্স সরবরাহ করে থাকেন।

সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে মালামাল সরবরাহের জন্য তার রয়েছে নিজস্ব গাড়ি, দক্ষ ড্রাইভার এবং দক্ষ সেলসম্যান।

বর্তমানে দেশটিতে সপরিবারে বসবাস করছেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী সদরে।

ভিশন ২০৩০ এর আওতায় শ্রমবাজারসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বেশ কিছুদিন ধরেই পরিবর্তন আনছে সৌদি সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় সৌদি আরবের অভ্যন্তরে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে দেশটি।

সৌদি আরব থেকে বৈধভাবে টাকা পাঠানোর অনুরোধ

২৩ আগস্ট ২০২১ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশীসহ ভিনদেশী ব্যবসায়ীদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য বিনিয়োগের তথ্যাদি প্রদান করে নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতার বিষয়ে বিস্তারিত বলা হলেও পরে এটিকে বাড়িয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২ তারিখের মধ্যে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শেষ করতে বলা হয়।

সৌদি সরকারের আদেশ মেনে যারা নিবন্ধন করেছেন তার মধ্যে মোঃ আইয়ুব একজন।

তিনি নিজের নামে নিজের নিজের ব্যবসা প্রতিষ্টান নিজেই পরিচালনা করছেন এখন। তার কোম্পানিতে বাংলাদেশি সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক কর্মরত রয়েছেন। তিনি চান তাঁর কোম্পানিতে নিজ দেশের আরো মানুষ কাজ করুক।

তিনি জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে যে সকল এয়ারকন্ডিশনের কোম্পানি রয়েছে তারা যদি সৌদি আরবের আবহাওয়া এবং ইলেকট্রিক ভোল্টের সাথে মিল রেখে এয়ারকন্ডিশনের বিভিন্ন পাটর্স তৈরী করেন তাহলে সৌদিতে প্রচুর চাহিদা রয়েছে এসবের, বর্তমানে সৌদিআরব এবং বাংলাদেশের মধ্যে শ্রমবাজারের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্যর যে সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা আরো বাড়ানো সম্ভব।

সেই সাথে এই সকল কোম্পানিতে বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা বাড়বে। তারা বৈধ ভাবে টাকা পাঠাতে পারলে দেশে রেমিটেন্স এর হারও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন মোঃ আইয়ুব।

যেমন প্রবাসে সফল তেমনি নিজের মাতৃভুমিতেও পিছিয়ে নেই তার কর্মকান্ড। সুন্দর সমাজ গড়ার প্রত্যাশা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন মোঃ আইয়ুব।

ইত্তেফাক/এসসি