মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমি কাজে লাগাতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২২, ২১:৩১

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবিলায় প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় এনে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘প্রতি ইঞ্চি অব্যবহৃত ও অনাবাদি জমিতে ধান এবং সরিষা চাষ, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদন করলে মানুষের পুষ্টিহীনতা দূর হওয়ার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।’

শনিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অনাবাদি পতিত জমি আবাদের আওতায় আনার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশ ২০২২’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন পরিবেশমন্ত্রী। বড়লেখা পৌর শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- বড়লেখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দেবল সরকার।

পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার সব ধরনের ভর্তুকি দিয়েই কৃষি ব্যবস্থাকে সচল রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কেননা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পরিবহন এবং খাদ্যপ্রাপ্তির যে সমস্যা বিশ্বব্যাপী দেখা দিয়েছে, এই সমস্যা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত রাখতে হবে। কারণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোই বলছে-বিশ্বে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। কাজেই আমাদের বাংলাদেশে যেন কোনোরকম খাদ্যাভাব দেখা না দেয়, তার জন্য এখন থেকেই সকলকে সচেতন হতে হবে। যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, জমি আছে, সবাই সেখানে কিছু না কিছু উৎপাদন করেন।’ 

কৃষক সমাবেশ শেষে পরিবেশমন্ত্রী রবি মৌসুমে পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৫০০ কৃষককে বিনামূল্যে শীতকালীন বিভিন্ন জাতের সবজি বীজ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনজিত কুমার চন্দের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এএসএম রাশেদুজ্জামান বিন হাফিজের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন—কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের উপপরিচালক সামছুদ্দিন আহমদ, বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক নিয়াজ উদ্দিন, কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ, কৃষাণী মনোয়ারা বেগম ও কৃষক আব্দুল খালিক প্রমুখ। 

ইত্তেফাক/এমএএম