শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

সড়ক দুর্ঘটনায় ইবি ছাত্রী আহত, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২২, ০১:১২

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক সংলগ্ন রাস্তা পাড় হতে গিয়ে ইজি বাইকের নিচে পড়ে জান্নাতুন নাইম অন্তু নামের এক ছাত্রী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনার বিচারের দাবিতে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও ইট ফেলে অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। 

আহত ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যয়নরত।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর সহপাঠী সূত্রে জানা যায়, প্রধান ফটকের বিপরীত পাশে অবস্থিত  দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে ক্যাম্পাসে ফিরছিল অন্তু। এসময় রাস্তা পাড় হতে গেলে ইজি বাইকের নিচে পড়ে যায় সে। এতে তার সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়। এছাড়া, মাথা, কোমড় ও হাঁটুতে গুরুতর আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। প্রথমে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মেডিকেল সেন্টারে কর্তব্যরত চিকিৎসক সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

এদিকে, দুর্ঘটনার খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বিচারের দাবিতে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে ও ইট ফেলে অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তাদের শক্তিশালী স্প্রীডব্রেকার ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর কতো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রশাসনের টনক নড়বে? আর আশ্বাস নয় এবার বাস্তবায়ন চাই।

প্রায় দেড় ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হলেও পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক তালা দিয়ে আটকে রাখে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাতের ট্রিপের বেশ কয়েকটি বাস ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের ট্রাক আটকে পড়ে। পরবর্তীতে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল আলোচনার প্রস্তাব দিলে তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি অ্যাক্সিডেন্টের বিষয়ে জেনেছি। আহত শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় চিকিৎসারত আছে। শক্তিশালী স্পিডব্রেকার নির্মাণের বিষয়ে যাবতীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়া নিয়ে আগামীকাল তাদের সাথে বসবো।

ইত্তেফাক/ইআ