এক্সরে-ইসিজি বিকল

আপডেট : ১৪ জুন ২০১৯, ২২:০৮

বড়াইগ্রাম উপজেলা হাসপাতাল

বড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা

বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। একইভাবে টেকনিশিয়ান না থাকায় প্রায় তিন বছর আগে বরাদ্দ দেয়া অত্যাধুনিক ইসিজি মেশিনটি অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই এখানে আগত রোগীদেরকে রোগ নির্ণয়ে বাইরের ক্লিনিকে গিয়ে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে।

জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে সরকারিভাবে হাসপাতালে একটি ইসিজি মেশিন দেওয়া হয়েছে। তবে ইসিজি টেকনেশিয়ান না থাকায় শোভাবর্ধন করা ছাড়া মেশিনটি কোনো কাজেই লাগছে না। প্রায় ১৪ বছর আগে হাসপাতালে একটি এক্স-রে মেশিন দেয়া হলেও সেটি শুরু থেকেই অকেজো অবস্থায় রয়েছে। ফলে একজন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিও) বসে বসে বেতন নিলেও দীর্ঘ সময়ে মেশিনটি দিয়ে একজন রোগীরও এক্স-রে করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। একটি অ্যাম্বুলেন্স কোনোরকমে খুঁড়িয়ে চললেও অপরটি প্রায় এক যুগ যাবত্ বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। হাসপাতালের ১৬ জন স্বাস্থ্য সহকারী, একমাত্র ক্যাশিয়ার, হেড এ্যাসিস্ট্যান্ট, জুনিয়র মেকানিক্স ও একজন বাবুর্চির পদ শূন্য রয়েছে। হাসপাতালের ডক্টর্স কোয়ার্টারের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে ৪টি, ৩য় শ্রেণির কর্মচারীদের কোয়ার্টারের আটটির মধ্যে ছয়টি ও নার্স কোয়ার্টারের তিনটির মধ্যে একটি ইউনিট দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের টয়লেট দীর্ঘদিন ধরে অকেজো থাকায় মহিলা রোগীরা বাধ্য হয়ে পুরুষ ওয়ার্ডের টয়লেট ব্যবহার করছেন। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. পরিতোষ কুমার বলেন, এক্স-রে মেশিনটি একেবারেই বিকল, নতুন মেশিন বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। টেকনিশিয়ান পেলে ইসিজি সেবা চালু করা হবে।