ব্রাজিলে নির্বাচনে পরাজয়ের পর কট্টর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারো এখনো একেবারে নীরব হয়ে আছেন। তিনি বামপন্থী লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজয়ও স্বীকার করেননি। রোববার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটাভুটি শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরও বলসোনারো এ নীরবতায় বিশ্লেষকরা আশংকা করছেন তিনি হয়তো ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।
নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে লুলা ৫০ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। আর বলসোনারো পেয়েছেন ৪৯ দশমিক ১ শতাংশ ভোট। ব্রাজিলের আধুনিক ইতিহাসে এতো কম ভোটে কোন প্রার্থীর জয়ী হওয়ার নজির নেই।
আগামী ১ জানুয়ারি থেকে নতুন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। কিন্তু দায়িত্ব নিয়ে ৭৭ বছর বয়সী লুলাকে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সংকট, আমাজনের বনভূমি ধ্বংস, এবং শক্তিশালী ও ক্ষুব্ধ ডানপন্থীদের মোকাবিলা।
কিন্তু সবার আগে বড় প্রশ্ন হিসেবে যেটি দেখা দিয়েছে তা হলো বলসোনারো তার পরাজয় স্বীকার করে নেবেন কি না। ফলাফলের পর থেকে তিনি প্রকাশ্যে এমনকি তার প্রিয় সামাজিক যোগাযোগ্য মাধ্যমে এখনো পর্যন্ত কোন কথা বলেন নি।
তবে তার ঘনিষ্ঠ কিছু মিত্র প্রকাশ্যে পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের ক্ষমতাশালী স্পিকার আর্থার লীরা। এদিকে ২০০৩ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা লুলা তার বিজয়ী ভাষণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ইমেজ পুনরুদ্ধারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ইতোমধ্যে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো, জার্মানির ওলাফ শলৎজ, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসসহ অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেছেন।
