শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ক্রেতা সেজে পাখি উদ্ধার, রাবি ক্যাম্পাসে অবমুক্ত

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২২, ০৯:০৬

বিক্রেতার কাছ থেকে ৩০ পাখি উদ্ধারের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ক্যাম্পাসে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ।  বুধবার (০৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মদ নিয়ামুর রহমান পাখিগুলো অবমুক্ত করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আনিছুর আহম্মেদপুর চর তেবাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

পাখি উদ্ধারে রাবির দুই শিক্ষার্থী সহযোগিতার করেন। তারা হলেন- ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশন নামের সংগঠনের রাবি ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসাডর মিজানুর রহমান তাসিব ও মার্কেটিং বিভাগের মো. নাজমুল হোসেন (স্নেক ও এনিমেল রেসকিউয়ার)।

বন বিভাগ জানায়,  সোমবার (০৭ নভেম্বর) নাটোরের আহম্মেদপুর থেকে অসাধু ব্যবসায়ী আনিছুরের কাছ থেকে ৩০টি পাখি উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাখি বিক্রেতা আনিছুর রহমানকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। পরে নাটোর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়ের হাবিব তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মদ নিয়ামুর রহমান বলেন, রাজশাহী বনবিভাগের অধীনে প্রায় ১৬টি জেলার কার্যক্রম চালাতে হয়। তারমধ্যে শুধু রাজশাহীতেই অফিস রয়েছে। তাই সব জেলার এলাকাগুলোতে বন বিভাগের একার পক্ষে এই অল্প জনবল দিয়ে বন্যপ্রাণী রক্ষায় কাজ করা মুশকিল। তাই আমাদের এই কার্যক্রমকে সচল রাখতে শিক্ষার্থীদের সেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের! বিকল্প নেই। রাবির এই শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই এসব বন্যপ্রাণী কেনাবেচা রোধে আমাদের সঙ্গে কাজ করে আসছে। তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। সবারই উচিত এগিয়ে আসা যেনো বন্যপ্রাণীগুলো প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে।

রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, সংবাদের ভিত্তিতে নাটোরের আহম্মেদপুর চর তেবাড়িয়া এলাকায় ক্রেতা সেজে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দুটি কালিম, ১৪টি পাতি সরালি,  একটি করে পাহাড়ি ময়না, টিয়াসহ দেশি ও অতিথি বিভিন্ন প্রজাতির ৩০টি পাখি উদ্ধার করা হয়। পরে রাবি ক্যাম্পাসে পাখিগুলোকে অবমুক্ত করা হয়।

ইত্তেফাক/আরএজে