শরীয়তপুরের ডামুড্যার ইসলামপুর ইউনিয়নের গঙ্গেশকাঠি গ্রামে ৫০ পরিবারের একমাত্র ভরসা কাঠের পুল। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ন কাঠের পুলটি দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে এ পুলটি তৈরি করা হয়। কিন্তু নিম্নমানের কাঠ ও খুঁটি ব্যবহার করায় অল্প দিনের মধ্যে পুলটি জরাজীর্ন হয়ে পড়ে। পুলের পাশেই রয়েছে ৬৯ নম্বর মহিউদ্দিন হাওলাদার গঙ্গেশকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিশু থেকে পঞ্চশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়।
গঙ্গেশকাঠি গ্রামের বাসিন্দা মাহামুদা বেগম বলেন, ছোট ছোট বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে খবুই কষ্ট হচ্ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে।
গঙ্গেশকাঠি ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রীনা বেগম বলেন, আমি যে বড় মানুষ আমার অনেক ভয় করে না জানি কখন নিচে পড়ে যাই। এতো মানুষ আশা যাওয়া করে এই পুলটি কারো চোখে পড়ে না। পুলের পূর্বপাশের রয়েছে বিঘায় বিঘায় আবাদি জমি, আর প্রতিদিন এ পুল পার হয়ে গঙ্গেশকাটি গ্রামবাসীকে জমি আবাদ করতে যেতে ভোগান্তি পড়তে হচ্ছে ।
ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেন বলেন, স্কিম দিয়েছি পাশ হলেই দ্রুত গতিতে পুলটির কাজ সম্পন্ন করা হবে।
