কক্সবাজারের টেকনাফে আটক আসামি নিয়ে পুলিশের মাদক উদ্ধার অভিযানকালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নারায়ণগঞ্জের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এসময় পুলিশের ৪ জন সদস্য আহত হয় বলে পুলিশ জানায়। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, ইয়াবা এবং কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, তাদের হাতে আটক অস্ত্র, মাদক ও পেনাল কোডের আসামি উপজেলার হোয়াইক্যং দৈংগাকাটার মৃত আবুল হোছনের পুত্র আমির হামাজা (২৮) কে নিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে উজাই অং চাকমার পাহাড়ে অভিযানে গেলে অস্ত্রধারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এ সময় পুলিশের এসআই বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া, কনস্টেবল হাবিব হোসেন, সজীব সরকার এবং তুহিন হাসান আহত হয়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ৩৮ রাউন্ড পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। গোলাগুলির শব্দ শুনে লোকজন এগিয়ে এলে অস্ত্রধারীরা অন্ধকার জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে দেশীয় তৈরি ১টি এলজিও এবং ১টি শপিং ব্যাগসহ মাটিতে পরিত্যক্ত গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। পকেটে থাকা পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে নিহত ব্যক্তি নায়ারণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার লক্ষণঘোনার ফয়েজ আহমদের পুত্র মো. রাসেল মাহমুদ (৩৬) বলে শনাক্ত করা হয়। তার ব্যাগ থেকে ৫ হাজার ইয়াবা, ৫ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ এবং ৯ রাউন্ড কার্তুজের খোসা পাওয়া যায়। গুরুতর আহত রাসেলকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সার জন্য নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিত্সক প্রাথমিক চিকিত্সা শেষে উন্নত চিকিত্সার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে তার মৃত্যু হয়। রাসেলের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
