মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় প্রেমিকার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ায় প্রেমিকার বাবার বেধড়ক পিটুনিতে আহত সোহাগ আহমেদ (১৭) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। নিহত সোহাগ আহমেদ উপজেলার নতুন ভোঁয়া এলাকার আখের আলীর ছেলে। তিনি তাঁত শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহাগ আহমেদ সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান হাবুর নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে। মেয়ের চেয়ে ছেলের পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় মেয়ের বাবা ও ভাই বিষয়টি মেনে নেননি। এর মধ্যে গত বৃহষ্পতিবার বিকেলে প্রেমিকার বাবা ঘরে আটক করে বেধড়ক মারধর করে সোহাগকে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ কর্ণেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। গত শনিবার হঠাৎ সোহাগ বেশি অসুস্থ হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে সোহাগ মারা যান। বিষয়টি জানাজানি হলে সোহাগের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
সোহাগের মামা ইয়াকুব আলী বলেন, আমার ভাগিনাকে বাড়িতে গিয়ে তারা মারধর করে হত্যা করেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন শামীম বলেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। এদিকে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান হাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
