বেলকুচিতে সরিষার ফলন তুলনামূলক ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা পার হওয়ার হাতছানি। বাম্পার ফলনের হাতছানিতে কৃষকের চোখেমুখে হাসি।
এ বছর বেলকুচি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকাসহ চরাঞ্চলে সরিষার হলুদ ফুলে মাঠঘাট ছেয়ে গেছে। মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের বিশাল সমারোহ। সরিষার ফুলে আকৃষ্ট হয়ে মৌমাছিরা মধু আহরণের চেষ্টা করছে। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো মাঠ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে বেলকুচি উপজেলা ৬টি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন কৃষকরা।
উপজেলা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার আংশিকসহ ৭ হাজার ২ শত হেক্টর জমিতে এ বছর সরিষার চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা পার হয়েছে। ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষক সরিষা চাষে ঝুঁকছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বেলকুচি সদর ইউনিয়ন, বড়ধূল ইউনিয়ন, রাজাপুর ইউনিয়ন, ধুকুরিয়াবেড়া ও দৌলতপুর ইউনিয়নে সরিষা ফুলে অপরূপ শোভা বর্ধন করেছে মাঠঘাট। মাঠ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষক। সরিষা ফুলের চারপাশে মৌমাছির আনাগোনা।
কৃষক আব্দুল করিম বলেন, 'এবছর দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। বেশ ভালো ফুল ধরেছে, আশা করছি ফলন ভালো হবে।'
ধুকুরিয়াবেড়া এলাকার কৃষক শুকুর আলী বলেন, 'আমি তিনটি জমিতে সরিষার চাষ করেছি। মাঠে বেশ ফুল ফুটেছে, আশা করছি সবকিছু অনুকূলে থাকলে ফলন ভালো হবে। সরিষা আবাদ ধানের চেয়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় এবারও সরিষা চাষ করেছি।'
এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্যাণ প্রসাদ পাল বলেন, 'বেলকুচিতে এ বছর সবকটি ইউনিয়নে সরিষার ফলন ভালো হচ্ছে। আশা করছি এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছেড়ে যাবে। কৃষকের মধ্যে ভালো মানের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সবকিছু অনুকূলে থাকলে এবছর সরিষার ভালো ফলন হবে বলে আশা করছি।'

ঈশ্বরদীতে গাজরের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী সব বাস চলাচল বন্ধ