নূর হোসেন
একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বহুলাংশে নির্ভর করে ঐ দেশের প্রশিক্ষিত জনসংখ্যা তথা জনশক্তির দক্ষতা ও পারদর্শিতার ওপর। কারণ দেশের ভবিষ্যত্ নেতৃত্বকে যথাযথ ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করা না গেলে সেই দেশের জনসংখ্যা দেশের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, পরিবর্তন আসছে শিক্ষা ব্যবস্থায়, কারণ শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি ছাড়া দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হয় না। আর তাই শিক্ষা ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। শিক্ষা ব্যবস্থা হতে হবে সুনির্দিষ্টরূপে বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী। সুতরাং শিক্ষার মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারলে সাধিত হবে আমাদের দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন, দেশ এগিয়ে যাবে তার অভিষ্ট লক্ষ্যে—উন্নয়নশীল থেকে উন্নত দেশে। আর তাইতো সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি আজ জোয়ার এসেছে কারিগরি শিক্ষার। কারিগরি শিক্ষাই এখন দেশকে দিতে পারে তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর মূল মন্ত্র। আমাদের দেশে বাস্তবমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবই এক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হয়ে দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে ড্যাফোডিল পরিবারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহকে ব্যতিক্রম না বললেই নয়। আর এই শিক্ষা পরিবারের মধ্যে ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট হচ্ছে অন্যতম একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট-এর রয়েছে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে নিজস্ব জায়গায় মনোরোম পরিবেশে শিক্ষা সহায়ক সকল প্রকারের সুবিধা সম্বলিত সুবিশাল ক্যাম্পাস। দক্ষ ও কর্মমুখী শিক্ষার পাশাপাশি প্রতি শিক্ষার্থীকে সাফল্যের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়াই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। আত্ম-কর্মসংস্থানের সহায়তা এবং দেশের আর্থ- সামাজিক উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন সাধিত করার কারণে ডিটিআই আজ দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
ডিটিআই পরিচালিত সকল ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলো সম্পূর্ণ গভীরভাবে তাত্ত্বিক, ব্যবহারিক ও বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের প্রশিক্ষণমূলক, যা উচ্চ শিক্ষিত ও বাস্তব জ্ঞানে গুণান্বিত শিক্ষকমণ্ডলী এবং সুদক্ষ ল্যাব প্রশিক্ষকগণ দ্বারা পরিচালিত। অত্র প্রতিষ্ঠানের কোর্সসমূহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সকল সুবিধাদিসহ ড্যাফোডিল পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল সুবিধা যুক্ত। ডিটিআই পরিচালিত কোর্সগুলোর অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে—কোর্সসমূহের মাঝে প্রতিমাসে বিষয়ভিত্তিক কার্যক্ষেত্র পরিদর্শন ও প্রতি সেমিস্টারে ডিপার্টমেন্ট ভিত্তিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল শিক্ষা ভ্রমণের সুযোগ। শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রগুলোতে ইন্টার্নশিপের এর সুযোগ এবং কোর্স শেষে জব ফেয়ার এর মাধ্যমে চাকরিদাতা ও চাকরি আগ্রহীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির মাধ্যমে ছাত্র/ছাত্রীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।
আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনলাইন/গুগল-এডুকেশন-এর মাধ্যমে সারা দুনিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ পাওয়ার সুযোগ। সকল ছাত্রীদের জন্য রয়েছে কোর্স ফি-এর উপর বিশেষ ছাড় ও প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন ছাত্রী হোস্টেলের ব্যবস্থা। তাছাড়া ডিটিআই পরিচালিত সকল কোর্সে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য আর্থিক উপবৃত্তির ব্যবস্থা ও আলাদা আলাদা শিফটে ক্লাস করার সুযোগ। বিস্তারিত জানতে কল করতে পারেন ০১৭১৩-৪৯৩২৬৭ নম্বরে। ডিটিআইতে অধ্যয়নরত সকল ছাত্রছাত্রীরা ড্যাফোডিল পরিচালিত অন্যান্য সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্যদের তুলনায় কম খরচে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও প্রফেশনাল কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ। এছাড়াও ডিটিআই-এর ছাত্রছাত্রীরা চাইলে ড্যাফোডিল-এর অন্য সকল প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও শিক্ষণীয় ক্লাব সমূহে যোগদানের মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিভা বিকাশের সুযোগ । ডিটিআই-এর সকল শিক্ষার্থীরা কোর্স শেষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আর্থিক সুবিধাসহ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। ডিটিআই-এর কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয় না বরং দুর্বল ও অমনোযোগী ছাত্রছাত্রীদেরকে গাইড টিচার দ্বারা আলাদাভাবে কেয়ার নেওয়া হয়।
ডিটিআই পরিচালিত টেকনোলজিসমূহ হলো- টেক্সটাইল, গার্মেন্টস ডিজাইন,আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন, সিভিল, গ্রাফিক ডিজাইন, টেলিকমিউনিকেশন, ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার
উল্লেখিত টেকনোলজিসমূহে ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই নির্ধারিত জিপিএ (২.০০) সহ এসএসসি পাশ হতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেটধারী অথবা উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীরাও ভর্তি হতে পারবে। বোর্ড কর্তৃক সিট সংখ্যা সীমিত হওয়ায় ব্যাচ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে ভর্তির তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও অনলাইনে ভর্তি হতে ভিজিট করতে পারেন http://admission.dti.ac ঠিকানায়।
