চৌদ্দগ্রামে শীতের শুরুতে হাটবাজারগুলোতে গরম কাপড়ের চাহিদা বাড়ছে। শপিংমল ও মার্কেটের বাহারি দোকানগুলোতে গরম কাপড়ের সন্ধানে মানুষ ভিড় করছে। অনেকে আবার ফুটপাতের দোকানে শীতের কাপড় কিনছে। সারা দিন সূর্যের রাজত্ব থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় জেঁকে বসছে শীত। ফুটপাত থেকে পৌর শহরের বড় বড় মার্কেটের সর্বত্রই শীতের পোশাক বিক্রি বেড়েছে।
তবে গত বছরের তুলনায় এবার শীতের শুরুতেই ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী শীতবস্ত্রের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে বেশি। সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রতিদিন এসব দোকানে গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। উপজেলার গুণবতী, ধোড়করা, মুন্সীরহাট, কাদৈর, মিয়াবাজার ও কাশিনগর বাজারের মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, আর্থিকভাবে সচ্ছল ক্রেতারা যেমন আসছে তেমনি স্বল্প আয়ের লোকজন অল্প দামে শীতবস্ত্র কিনতে ফুটপাতের দোকানে ভিড় করছে। চাদর, জ্যাকেট, সোয়েটার, মোটা গেঞ্জি, হুডি, মাফলার, পুরোনো কমফোর্টার, হাত-পায়ের মোজা, কানটুপিসহ শিশুদের সব ধরনের শীতবস্ত্রই মিলছে দোকানগুলোতে।
শীতবস্ত্র বিক্রেতারা ইত্তেফাককে জানান, করোনাকালে গত দুই বছর ভালোভাবে ব্যবসা করতে পারেননি। ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এ বছর পরিবহনের কারণে শীতবস্ত্র আনার খরচও বেড়ে গেছে। তাই স্বাভাবিক কারণে শীতবস্ত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। সব শ্রেণি-পেশার লোকজনের জন্য বিভিন্ন মানের শীতের পোশাক সংগ্রহ করেছি। বাহারি আলোকসজ্জায় সজ্জিত মার্কেটের দোকানগুলোতে শীতের পোশাক কিনতে না পেরে ভিড় অনেকে জমাচ্ছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় ফুটপাত থেকেই শীতের পোশাক কিনছে অনেকেই।
