বাজেটে বেশকিছু পণ্যের ওপর শুল্ক-কর কমানো হয়েছে। নতুন ভ্যাটে দ্রব্যমূল্য যাতে না বাড়ে সে চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কিছু পণ্যের ওপর সামান্য বেড়েছে। যেটুকু বাড়ানো হয়েছে, তা সহনীয় পর্যায়ের। কিন্তু কেউ যদি এর বেশি হারে দর বাড়ায় তাদেরকে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। গতকাল রবিবার রাজধানীর কাওরান বাজারে আইসিএবি ভবনে হিসাববিদদের সংগঠন ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইবিএবি) আয়োজিত বাজেট পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আইবিএবি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে এতে আইসিএবি’র প্রেসিডেন্ট নেসারউদ্দিন আহমেদ ছাড়াও সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদরা উপস্থিত ছিলেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বাজেট বিনিয়োগবান্ধব হয়েছে। বিনিয়োগ হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে, ভ্যাট-ট্যাক্স পাব। কর্মসংস্থান হবে। সেটি হলে তা গরীব মানুষের স্বার্থে যাবে। তিনি বলেন, গরীবের দুই তিনটা আইটেমে সামান্য ভ্যাট ট্যাক্স বেড়েছে। তবে বাজেট পাসের আগে বিশদ পর্যালোচনা করে ভোক্তার জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
নতুন ভ্যাট আইনে এক স্তরের বদলে বহুস্তরভিত্তিক ভ্যাট ব্যবস্থা রাখার বিষয়টিকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি করায় ভালো হয়েছে। অন্যথায় আইনটি বাস্তবায়ন করতে বাধার মুখে পড়তে হতো। আইনটি বাস্তবায়নে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। ব্যবসায়ীদের হিসাবে স্বচ্ছতা আনতে কিছু সুনির্দিষ্ট ব্যবসায় ইএফডি (ইলেক্ট্রনিক হিসাবযন্ত্র) স্থাপন করা হবে। ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় ইএফডি গ্রহণ করতে না চাইলে সেক্ষেত্রে হিসাববিদদের সহযোগিতা চেয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান। এ সময় বাজেটে ভ্যাট, ট্যাক্স ও শুল্ক বিষয়ে আনা বিভিন্ন পরিবর্তনের বিষয়ে আইসিএবি’র সুপারিশ তুলে ধরেন স্নেহাশীষ বড়ুয়া।
