২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের চেয়েও বেশি অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার অর্থাত্ প্রায় ৫ কোটি ৮৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে গেছে। এটা বর্তমান বাজেটে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। এ অর্থ কারা পাচার করছে প্রশ্ন রেখে মওদুদ আহমদ বলেন, যারা এ সরকারের মদদপুষ্ট হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছে তারাই এ কালো টাকা পাচার করেছে, দেশে বিনিয়োগ না করে তারা বিদেশে এ টাকা চালান করেছে।
গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি’ শীর্ষক এক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মওদুদ আহমদ বলেন, আজকে আপনি কানাডা যান, মালয়েশিয়া যান, নিউইর্য়কে যান, অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে যান। আপনি দেখবেন যে, বড় বড় মল, বড় বড় বাড়ি, বড় বড় দোকান, বড় বড় ব্যবসা-বাণিজ্য কেন্দ্র সব আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতায় অর্থ পাচার করে সেখানে তারা গড়ে তুলছে, ব্যবসা করছে। তাদের নিজেদের জন্য একটা বিকল্প ঘরবাড়ির ব্যবস্থা করে রেখেছেন তারা। কারণ তারা জানেন যেদিন এ সরকারের পতন হবে তাদের বাংলাদেশের মাটিতে থাকা খুব কঠিন হবে, তাদের তখন নিজেদের স্বার্থে দেশ ত্যাগ করে চলে যেতে হবে।
প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে সাবেক আইনমন্ত্রী বলেন, আমি বলি, এ বাজেট হলো সরকারের সুবিধাভোগীদের জন্য, এটা জনসাধারণের জন্য না। এ বাজেটের মাধ্যমে দরিদ্র আরো দরিদ্র হবে, ধনী আরো ধনী হবে। কালো টাকা সাদা করার এ ব্যবস্থা গত ১০ বছর যাবত্ এ সরকার রেখেছে। কেনো? তাদেরই লোকজন, তাদেরই মদদপুষ্ট লোকরা, তাদেরই স্বার্থান্বেষী যেসব ব্যক্তি আছেন তারাই এ কালো টাকার মালিক।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি আন্দোলনের জন্যও সকলকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহবানও জানান মওদুদ আহমদ।
