রোববার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিজয় দিবস উদযাপন

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:৩১

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদ্‌যাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রদূত মেহ্‌দী হাসান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

দিনের দ্বিতীয়ভাগে দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও সুইডেনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ এবং সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এরপর রাষ্ট্রদূত মেহ্‌দী হাসানের নেতৃত্বে উপস্থিত সুধীবৃন্দ প্রতীকী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন দূতালয় প্রধান ও কাউন্সিলর আমরিন জাহান।

রাষ্ট্রদূত মেহ্‌দী হাসান তাঁর বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদতবরণকারী সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর দিকনির্দেশনায় এবং আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশের অধিকার বঞ্চিত মানুষ দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জন করে চূড়ান্ত বিজয় এবং জন্ম হয় বাংলাদেশের। সদ্য স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধু মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির জন্য সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরে তাঁরই সুযোগ্যা কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ রূপকল্প-২০২১ অনুযায়ী একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে এবং রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হবার পথে এগিয়ে চলেছে। ’ মহান বিজয় দিবসের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে সে লক্ষ্যে কাজ করার জন্য উপস্থিত সবাইকে আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে সকলের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিশু কিশোরগণ এবং আমন্ত্রিত অতিথিগণ গান, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন। সবশেষে, আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

ইত্তেফাক/এমএএম