দেড় বছরেও তেল পাচারের ঘটনার সুরাহা হয়নি শীর্ষক সংবাদের ব্যাপারে যমুনা অয়েলের বিভাগীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে অভিযুক্ত ছয় জনের মধ্যে তিন জনের পক্ষে গতকাল রবিবার একটি লিখিত বক্তব্য দেওয়া হয়। সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন্স) প্রিয়তোষ নন্দী স্বাক্ষরিত বক্তব্যে বলা হয়, তেল পাচারের অভিযোগ উঠলে বিপিসি ও যমুনার দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিপিসির তদন্ত প্রতিবেদনে কোনো অনিয়মের আলামতের কথা বলা হয়নি।
প্রিয়তোষ নন্দী তার বক্তব্যে বলেন, অফিস পলিটিক্সের সঙ্গে জড়িত একটি পক্ষ প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে বিতর্কিত ও বিভাগীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে তাদের বিপদে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছে। নুরুদ্দিন আহমেদ আল মাসুদ, সমীর কুমার পাল ও প্রিয়তোষ নন্দীর পক্ষে বলা হয়, তারা আদালতে কোনো ডুপ্লিকেট পিটিও জমা দেননি। তাছাড়া এক লাখ ৫১ হাজার ৮৯০ লিটার তেল পাচারের ব্যাপারে বিগত দুটি এজিএম-এ ঘাটতির কথা নেই। উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত দেড় বছরেও তেল পাচারের ঘটনার সুরাহা হয়নি শীর্ষক সংবাদটি যমুনা অয়েল কোম্পানির বিভাগীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে করা হয়েছে।
