চীনের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চীনা যাত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি চীনের কোভিড পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা না থাকায় যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা সংক্রমণ বাড়ায় ইতিমধ্যে চীনের যাত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তাইওয়ান, মালেয়শিয়া ও জাপান। এদিকে ভারতও নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে চীনা নাগরিকদের প্রবেশ নিয়ে। জানুয়ারির ৮ তারিখ থেকে চীনা পাসপোর্ট এপ্লিকেশন নেওয়া পুনরায় চালু হবে বলে জানায় ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তবে আপাতত তা বন্ধ আছে।
এদিকে দৈনিক করোনা আক্রান্তের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। এর ফলে সংক্রমণের প্রকৃত চিত্র জানা দুরূহ হয়ে পরেছে। অপরদিকে হাসপাতালে বয়স্ক রোগীদের ভিড় দেখা গেছে দেশ জুড়ে। গত সপ্তাহ পর্যন্ত বেইজিং থেকে জানা যায় চীনের দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার।
এর আগে সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) চীনের বর্ডার খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিলে মাত্র ৩০ মিনিটে চীনা নাগরিকরা ভ্রমণের জন্য নান স্থান সার্চ করে থাকে। এর মধ্যে ম্যাকাও, হংকং, জাপান থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়াকে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয়।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, পশ্চিমা দেশগুলি মিডিয়াকে "হাইপিং আপ" এবং চীনের কোভিড নীতির সমন্বয়কে বিকৃত করার এমন অভিযোগ তুলেছে।
আবার যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, তবে বর্তমানে চীনা ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন বিধিনিষেধ বিবেচনা করছে না।
