রাজশাহীর পবা উপজেলা নির্বাচন: ৬৮টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৯, ২১:০২

রাজশাহীর পবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের সরঞ্জামাদি পৌঁছানো শুরু করা হয়েছে। এ নির্বাচনে ৭৯টি ভোটকেন্দ্রের ৬৮টিই গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) এবং বাকী ১১টি সাধারণ বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিন পুলিশের (আরএমপি) কর্মকর্তারা।

এ নির্বাচনে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১টি চেয়ারম্যান পদে দুইজন যথাক্রমে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মুনসুর রহমান এবং ওয়ার্কার্স পার্টি সমর্থিত আশরাফুল হক তোতা; ১টি পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন যথাক্রমে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ওয়াজেদ আলী খাঁন, আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল জামান বাবলু, এএফএম আহসান উদ্দিন এবং আলমগীর হোসেন এবং ১টি মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন যথাক্রমে মহিলা লীগের নেত্রী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম, মহিলা লীগের নেত্রী আরজিয়া বেগম এবং রিতা বিবি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন: মুলাদীতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় মামলা

মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, মঙ্গলবার পঞ্চম পর্যায়ে রাজশাহীর পবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন ৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্র সমূহে এবং মহানগরীর আইন শৃংখলারক্ষার্থে পোষাকে ও সাদা পোষাকে পুলিশ মাঠে থাকবে। এ নির্বাচনে ৭৯ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১ টি সাধারণ এবং ৬৮ টি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ভোটকেন্দ্র রয়েছে। উপজেলার ২ লাখ ২৮ হাজার ১২৭ ভোটার (পুরুষ ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৫৬ এবং নারী ১ লাখ ১৩ হাজার ৬৭১) ভোটারতাদেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে সোমবার সকাল ১০টায় আরএমপির প্যারেড মাঠে এক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আরএমপির অতিরিক্ত কমিশনার সুজায়েত ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) তানভীন হায়দার চৌধুরীসহ অন্যান্য উপ-পুলিশ কমিশনারবৃন্দ, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। এ নির্বাচনে প্রতিটি সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ন ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফোর্স অফিসার নিয়োজিত করা হয়েছে। প্রতি ৩ থেকে ৪টি কেন্দ্রের জন্য একটি করে মোবাইল পার্টি ও একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স রিজার্ভ রাখা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য রায়টগিয়ারসহ স্পেশাল রিজার্ভ, ওয়াটার ক্যানন ও এপিসি প্রস্তুত রাখা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইত্তেফাক/বিএএফ