আবেগে ভাসছেন না কোহলি

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৯, ২১:২০

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিশ্বকাপে এই নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ ম্যাচে ৭ বারই জিতলো ভারত। তাদের এই আনন্দের মাঝে অবশ্য একটা বেদনার স্মৃতি লুকানো ছিল। সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে এই পাকিস্তানের কাছেই হেরেছিল ভারত। ফলে এবারের সাক্ষাতে সেই ফাইনালের জবাব দেওয়ার একটা ব্যাপারও ছিল।

ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেছেন, সেই পরাজয়ের কথা তাদের মাথায় ছিল। কিন্তু সেটা নিয়ে খুব আবেগী ছিলেন না তারা। এমনকি ম্যাচ জয়ের পরও খুব আবেগ দেখাচ্ছেন না কোহলি। ম্যাচের পর বলছিলেন, ‘আমার মনে হয়, তারা আমাদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে একেবারে উড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ওই ম্যাচ নিয়ে খুব আবেগী হয়ে পড়ার সুযোগ ছিল না। তাতে বরং এই ম্যাচে আমরা ভুল করতে পারতাম না। আমরা কখনোই এই ম্যাচ নিয়ে অতো বেশি আবেগী ছিলাম না। আমরা পেশাদার ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত ফলাফল যা এসেছে, সেটাই ব্যাপার।’

এই ফলাফলের জন্য কোহলি মূল কৃতিত্বটা দিচ্ছেন তিন জন খেলোয়াড়কে—ওপেনার রোহিত শর্মা, মেকশিফট ওপেনার লোকেশ রাহুল ও স্পিনার কুলদীপ যাদব। সেঞ্চুরি করা রোহিত ও ওপেনিংয়ে নেমে ফিফটি করে আসা রাহুল সম্পর্কে কোহলি বলছিলেন, ‘রোহিতের ইনিংসটা আরো একবার অসাধারণ ছিল। কেএল (লোকেশ) রোহিতকে দারুণ সহায়তা করেছে। সে আরো একবার এদিন প্রমাণ করেছে যে, সে কেনো একজন অসাধারণ ওয়ানডে খেলোয়াড়। ৩৩৬ রানটা ছিল একটা দলীয় প্রচেষ্টার ফল।’

কোহলি বলছিলেন, এরপর বল হাতে আসল কাজটা করে দেন কুলদীপ; পরপর দুই ওভারে সেট দুই ব্যাটসম্যান বাবর আজম ও ফাখার জামানের উইকেট তুলে নেন তিনি। কুলদীপের সম্পর্কে কোহলি বলছিলেন, ‘কুলদীপ যাদব অসাধারণ করেছে। বাবর ও ফাখার ওকে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি চেয়েছি কুলদীপ এখানে লম্বা স্পেল করুক। বাবরকে সে যে বলে আউট করেছে, সেটা অসাধারণ ছিল। আমি মনে করি, সে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে তার সেরা বোলিংটা করেছে এদিন।’

কুলদীপ যাদব নিজেও মনে করেন এবারের আসরে এটাই তার সেরা কীর্তি এখন পর্যন্ত। বিশেষ করে বাবরকে আউট করা বলটা নিয়ে খুব উচ্ছ্বসিত এই স্পিনার। তিনি বলছিলেন, ‘বাবর আজমকে আউট করা বলটা এই টুর্নামেন্টে আমার সেরা ডেলিভারি ছিল। আমি তাকে এশিয়া কাপেও আউট করেছি। আমি বৃষ্টি বিরতিতে এসে ঐ ডেলিভারিতে দেখলাম। ওটাতে ড্রিফট আর টার্ন ছিল। ফলে যে কোনো স্পিনারের জন্য এটা ভালো একটা ডেলিভারি।’