পপুলার হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার ছাত্রী

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৯, ২১:৫৪

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে ব্রণের জন্য চিকিত্সা নিতে গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। ঘটনার পর পরই পপুলার হাসপাতালের মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের প্রধান অচিন্ত্যকুমার নাগের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই তরুণী। এ ব্যাপারে পপুলার হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেছেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তারা বিব্রতবোধ করছেন। এ ঘটনা জানার পর তাত্ক্ষণিকভাবে পপুলার হাসপাতাল থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে পপুলার হাসপাতালের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই ।

ঘটনার বিবরণে ওই তরুণী জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ত্বকে ব্রণের সমস্যা নিয়ে পরিচিত একজনের রেফারেন্সে পপুলার হাসপাতালের ওই ডাক্তারের কাছে যান তিনি। পরবর্তীতে চিকিত্সার প্রয়োজনে আরো কয়েকবার প্রায় বাবার বয়সি ঐ ডাক্তারের কাছে যান তিনি। সর্বশেষ গত শনিবার দুপুরে ওই তরুণী ডা. শওকতকে জানান তার ত্বকের সমস্যা আবার বেড়েছে, রাতে তিনি চেম্বারে বসবেন কি না? এ সময় ওই ডাক্তার চেম্বারেই আছেন জানিয়ে মেয়েটিকে তখনই যেতে বলেন। পরে চেম্বারে গিয়ে ওই তরুণী জানতে চান তার সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান আছে কি না। এ সময় ডা. শওকত বলেন, যদি সে চায় তবে একটা ইনজেকশন দেওয়া যেতে পারে। তবে ইনজেকশনটি কোমরে দিতে হবে। মেয়েটির ইতস্ততভাব দেখে ওই ডাক্তার তাকে বলেন, কাপড়ের উপর দিয়েই ইনজেকশন দেওয়া যাবে। মেয়েটি তার অভিযোগে জানান, ইনজেকশন দিতে রাজি হলে রোগীর টেবিলে শুলে ঐ ডাক্তার মেয়েটির বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিতে থাকেন। এ অবস্থায় মেয়েটি তাড়াতাড়ি ডাক্তারের ফিস দিয়ে চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। এ সময় সেই ডাক্তার তার গালের ইনফেকশনটি দেখতে চান। গাল দেখার ছলে আবার যৌন হয়রানি করেন ঐ ডাক্তার।