এসএমইর বিকাশে বড় বাধা ঋণ প্রাপ্তির সমস্যা

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৯, ২১:৫৭

ইত্তেফাক রিপোর্ট

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এসএমই) অন্যতম বাধা ঋণ প্রাপ্তির সমস্যা। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া তুলনামূলক কঠিন হওয়ায় চড়া সুদে এনজিওদের দ্বারস্থ হতে হয় এসএমই উদ্যোক্তাদের। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ শ্রমশক্তি এসএমই খাতের। বর্তমানে এসএমই খাতে গড় সুদের হার সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৭ শতাংশ, সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। ‘স্টাডি অন ফিউচার ডিরেকশন অব এসএমই’স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসছে। পরিকল্পনা বিভাগের তত্ত্বাবধানে গবেষণাটি পরিচালনা করে পাথমার্ক অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড। রবিবার প্রতিবেদনটির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম। পরিকল্পনা সচিব মো. নূরুল আমিন এতে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এ দেশের অর্থনীতির প্রাণ। কিন্তু তারপরও এ শিল্প নিয়ে খুব বেশি গবেষণা হয়নি। পরিকল্পনা বিভাগ এরকম একটি উদ্যোগ নেওয়ার ফলে আগামীতে নীতি পকিল্পনা গ্রহণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। ড. শামসুল আলম বলেন, এসএমই কর্মসংস্থান তৈরি এবং দারিদ্র্য নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ। এই খাত উন্নয়নে সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিডিপির তুলনায় দেশে এসএমই’র অবদান রয়েছে। কর্মসংস্থান তৈরিতে এ খাতের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অর্থপ্রাপ্তির অসুবিধা, ব্যবসা সহায়ক সহায়তার অভাব, আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ, প্রযুক্তির প্রয়োগ ও হস্তান্তর না হওয়া এবং উদ্যোক্তাদের শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও এসএমই’র সঠিক পরিসংখ্যানের অভাব এই খাতের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই খাতে ব্যাংকের সুদ হার বেশি। তাই সুদ হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনা উচিত।