শনিবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের সঙ্গে ফরচুন বরিশালের ম্যাচের একটি এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
কুমিল্লার ইনিংসে ১৪তম ওভারে ইফতেখারের বল মোকাবিলা করছিলেন ব্যাটার জাকের আলী অনিক। রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে করা বল জাকেরের প্যাডে লাগলে এলবিডব্লিউর আবেদন করেন ইফতেখার। সঙ্গে সঙ্গে তাতে সাড়া দিয়ে আঙুল তোলেন আম্পায়ার মোর্শেদ আলী খান। জাকের রিভউয়ের আবেদন জানান। কিন্তু তৃতীয় আম্পায়ারও অন ফিল্ড ডিসিশনকে প্রাধান্য দিয়ে আউট জানিয়ে দেন। আর তাতেই সমালোচনা উঠে। ভিডিওতে দেখা যায় লেগ স্টাম্পের ঠিক বাইরে বল। তৃতীয় আম্পায়ারের মনে হয়েছে বলের সামান্য অংশ হয়তো লেগ স্টাম্পে ছিল। স্বাভাবিকভাবেই এই সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারেনি পরাজয়ের বৃত্তে আবদ্ধ থাকা কুমিল্লা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের কোচ সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি জানি না উনাদের রুলসে হয়তো নতুন কিছু থাকতে পারে। হয়তো বলের একটু ছায়া ছিল। আমি জানি না। এ কারণে আমার মনে হয় আম্পায়ার যেটা দিবে ওটা দিয়ে দিলেই খুশি হতাম। এরকম এডিআরএস থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো। এটা তো একেবারে লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করছে। এরকম ডিসিশন ফার্স্ট ম্যাচেও হয়েছে।’
এমন সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান কি জানতে চাইলে সালাউদ্দিন বলেন, ‘এই মোমেন্টে আমি কিছু বলতে পারব না। এটা নিয়ে কন্ট্রোভার্সি অনেক হচ্ছে। আমরা মাঠে চিল্লাচিল্লি করি সেটা কি চান? এমনিই সাসপেন্ড করে দেবে। প্রতিবাদ করেও তো লাভ নেই। আমরা লিখিত দেব বা প্রতিবাদ করব, সেটা করেও তো লাভ হবে না। আসলে কিছু করার নেই। হাত-পা বাঁধা আছে, যা হওয়ার তাই হবে।’
সালাউদ্দিনের কথায় ‘যে রান ছিল এটা এই পিচে হওয়ার মতো ছিল, তবে হয়নি। ব্যাটাররা টাচে আছে। আশা করছি সামনে হয়তো হবে।’ দেশের পাশাপাশি বিদেশিও অন্য দলের তুলনায় ভালো ক্রিকেটার কুমিল্লা দলে। তবুও এখন পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখা হলো না কাগজে কলমে সবচেয়ে শক্তিশালী দলটির। তিনি বলেন, ‘তিন ম্যাচেই জঘন্য ব্যাটিং করেছে ব্যাটাররা। নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি। ব্যাটসম্যানদেরই দায়ী করব। বোলাররা সাধ্যমতো করেছে।’
