ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নিজ বাড়িতে মাদক কারবারিদের হাতে খুন হলেন মো. আরিফুল ইসলাম নামে এক যুবলীগ নেতা। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের আটকাহুনিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফুল ঐ গ্রামের মৃত জামাল হোসেনের ছেলে এবং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবুল হোসেন জানান, আরিফুলের সঙ্গে একই এলাকার মাদক কারবারি রতন, পিয়াসসহ আরো কয়েকজনের পূর্ব বিরোধ ছিল। এর জেরে সন্ধ্যায় কয়েকজন তার বাড়ির সামনে ওত পেতে ছিল। সে আসা মাত্র ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় তারা। এ সময় বাঁচার জন্য আরিফুল দৌড়ে ঘরের ভিতর প্রবেশ করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হামলাকারীরা ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আরিফুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, যারা আরিফুলকে হত্যা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে তারা সকলেই একসময় তার বন্ধু ছিল। কিছুদিন আগে আরিফুলের বন্ধু রতন ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে গ্রেফতার হয়। তার ধারণা ছিল আরিফুলই তাকে ধরিয়ে দিয়েছিল। এর জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
