শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

আয়নায় মুখ না দেখেও নিজের দোষ পেয়েছেন রোমান সানা

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:২৫

রেগে আগুন হয়ে অন্যের দোষ ধরিয়ে দিতে গিয়ে অনেকেই বলেন, ‘আয়নায় নিজের চোহারাটা দেখো।’ খেলা থেকে দুই বছরের জন্য সাসপেন্ড হওয়া আরচার রোমান সানা আয়নায় মুখ না দেখেও নিজের দোষ ধরতে পেরেছেন। উপলব্ধি করতে পারছেন নিজেরও কিছু দোষ আছে। বুঝতে পারছেন দোষ এক পক্ষেই হয় না। ভুল স্বীকার করে শাস্তি মওকুফের জন্য চিঠি দিয়েছিলেন আরচারি ফেডারেশনকে। এখন অপেক্ষায় আছেন আবার জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফিরবেন রোমান সানা।

এই আরচারের সঙ্গে গতকাল বিকালে কথা হয় ফোনে। গাজীপুরে আনসার একাডেমিতে দুই মাস ধরে অবস্থান করছেন। নিজের সাসপেনশন নিয়ে সেখান থেকেই ফোনে কথা বললেন রোমান। ‘ভুল স্বীকার করে চিঠি দিয়েছিলাম। এখনো কোনো কিছু হয়নি।’ বললেন আরচারিতে দেশের এক নম্বর তারকা খুলনার ছেলে রোমান সানা। অপেক্ষায় রয়েছেন ফেডারেশন থেকে একটা ভালো খবর আসবে। আবার তীর-ধনুক হাতে নিশানা খুঁজবেন রোমান সানা।

ফেডারেশন থেকে বারবার একটা কথাই বলা হয়েছিল-রোমান সানাকে শাস্তি দেওয়া হয়নি, তার আচরণ সংশোধনের জন্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাই বলে দুই দুইটা বছর একজন রানিং খেলোয়াড় দূরে সরে যাবেন? কী এমন ঘটনা ঘটেছিল?

রোমান সানা বললেন, ‘দোষ আমারও ছিল। শোকজ করা হয়েছিল। জবাবও দিয়েছিলাম। চিঠি দিয়ে বলেছিলাম আর হবে না।’ কী দোষ ছিল? রোমান সানা বললেন, ‘অনেক কারণই ছিল। সহপাঠীদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল।’

রোমান সানা পরিষ্কার করে বলতে রাজি না হলেও তার কথায় অনেক কিছুরই ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি বললেন, ‘ঝগড়া হয়েছিল। হাতাহাতি। সবকিছু মিলিয়েই আমাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আমারও দোষ ছিল। একজন সিনিয়র খেলোয়াড় হয়ে মেজাজ হারানোটা ঠিক হয়নি।’

নারীঘটিত বিষয় কি না? রোমান সানা বললেন, ‘না। নারীঘটিত কথাটা বললে সেটা আবার অন্যদিকে চলে যায়। ছেলেদের সঙ্গেও আমার সমস্যা হয়েছিল। ফুটবল খেলতে গিয়ে ঝগড়া হয়েছিল। ঝগড়ার বিষয় নিয়েই আমাকে শাস্তি দেওয়া হয়।’

ইত্তেফাক/এসএস