মুখস্থ বিদ্যায় ভর করে ভালো ফলাফল করা নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে। কারণ জ্ঞানার্জনের চেয়ে প্রতিযোগিতাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তরুণেরা। ফলে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা বলেছেন সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের উপাধ্যক্ষ মো. মাসুম সরকার
সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে ৮০ শতাংশ নম্বর পাওয়া কিন্তু সহজ না। কেউ যদি নিজে খেটে এই নম্বর অর্জন করে, আপনি তার মেধাকে ছোট করে দেখতে পারেন না। এটা যথেষ্ট পরিশ্রমের বিষয়। আমরা সবাই ঢালাওভাবে শুধু শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনাই করি। আমার মনে হয়, এর চেয়ে বরং যারা ভালো করছে, তাদের উত্সাহ দেওয়া উচিত। সমালোচনা করে আমরা সত্যিকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসটাও নষ্ট করে দিচ্ছি। যারা বর্তমানে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়েছে, তাদের জন্য উচ্চমাধ্যমিক স্তরটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কেননা পরবর্তী জীবনে ক্যারিয়ারের ভিত এখানেই রচিত হয়। আমাদের ‘সৃষ্টি শিক্ষাপরিবার’ দেশের প্রতিটি জেলায় আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার যে বিশাল পরিকল্পনা নিয়ে কাজে নেমেছিল, আজ তা বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে বলা যায়। দেশব্যাপী গুণগতমানের আদর্শিক শিক্ষাদানে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার পিছনে যেমন আছে সৃজনশীল শিক্ষা, তথা কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল; তেমনি প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত একঝাঁক তরুণ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রয়েছে নিরলস নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা। আমাদের তরুণ প্রতিষ্ঠাতা ড. শরীফুল ইসলাম রিপন পিএমজেএফ একজন সফল শিক্ষা উদ্যোক্তার পাশাপাশি একজন সমাজসেবকও। সেবা কার্যক্রমের নেশায় জড়িয়ে পড়েন আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা লায়ন্স ক্লাবে।
শুরুতেই বলেছি যে, শিক্ষাঙ্গনে সৃষ্টি শিক্ষাপরিবার অত্যন্ত চেনাজানা একটি নাম। বিশেষ করে টাঙ্গাইলবাসীর কাছে। ড. শরীফুল ইসলাম রিপন পিএমজেএফ এখন থেকে দু যুগ আগে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে দেশসেবার মহান ব্রত নিয়ে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন সৃষ্টি কলেজ অব টাঙ্গাইল। গুণগত মানসম্পন্ন আধুনিক ও আদর্শিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কারণে অত্যন্ত সীমিত সময়ের ব্যবধানে টাঙ্গাইল ও এর আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষা ও সেবায় নিয়োজিত এই কালজয়ী প্রতিষ্ঠানটির নাম। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এরপর রাজধানীর উত্তরায় প্রতিষ্ঠিত হয় সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ঢাকাসহ দেশব্যাপী মোট ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে সৃষ্টি শিক্ষাপরিবারের।
