স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়টিতে রাখতে হবে বাড়তি মনোযোগ। বিশেষত মহামারির পর এমন স্বাস্থ্যসচেতনতার বিষয়টি এড়ানোর অবকাশ নেই। জীবাণু সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রতিটি অঙ্গ ঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার রাখতে হবে। গোসলের সময় এই পাঁচটি অঙ্গের দিকে দেবেন বাড়তি মনোযোগ:
কানের পেছনের অংশ
মাথায় শ্যাম্পু হয়তো করা হয়। কিন্তু কানের পেছনের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করা হয় না। মনে রাখতে হবে, এই অংশে সেবাশিয়াস গ্রন্থি অবস্থিত যেখানে ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু বেশি সক্রিয় হয়। তাই এই দিকে পরিষ্কার রাখবেন।
নাভিমূল
নাভিমূল সম্ভবত সবচেয়ে উপেক্ষিত অংশ। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করলে ভেতরে ময়লা জমার আশঙ্কা থেকে যায় এবং তাতে বাজে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।
নখের ফাঁকা অংশ
হাত সাবান কিংবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ধুলেও নখের ভেতর ময়লা জমে। এই ময়লা খাবারের মাধ্যমে পেটে চলে যায়। ফলে পেটের পীড়া কিংবা উদরাময় হতে পারে। তাই নখ পরিষ্কার রাখতে হবে।
জিহ্বা
দাঁতের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি জিহ্বার পরিচর্যাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন।
পায়ের আঙুলের খাঁজ
পায়ের আঙুল সবসময় নজরের আড়ালে থেকে যায়। দুই আঙুলের মধ্যবর্তী জায়গায় ময়লা বেশি জমে। তাছাড়া ত্বকেরও নানা সংক্রমণ হতে পারে। তাই গোসলের সময় পায়ের আঙুলের খাঁজেও মনোযোগ দিন।

চিয়া সিডের যত উপকার
আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা জরুরি