স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর
চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১১ মাসে (জুলাই-মে) দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায় ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ১৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এ সময় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল ২৫৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ২২৫ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বলেন, মূলত কাস্টমসের দ্বিমুখী নীতির কারণেই হিলি স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ফল আমদানির ক্ষেত্রে উলটো নিয়ম, গাড়ির চাকার স্ল্যাব অনুযায়ী শুল্কায়নের প্রথা চালু করা হয়েছে। এর ফলে একজন আমদানিকারক একটি ট্রাকে ১০ টন ফল আমদানি করলেও গাড়ির চাকা অনুযায়ী তাকে ১৪ থেকে ১৫ টনের শুল্ক পরিশোধ করতে হবে।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, গত ডিসেম্বর মাস থেকে ভারতের ভেতরে ফারাক্কা ব্যারেজের সংস্কার কাজ চলার কারণে বন্দর দিয়ে পাথরসহ বেশ কিছু পণ্য আমদানি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। বন্দরে রাজস্ব আদায়ের মূল পণ্যই ছিল পাথর। সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে রাজস্ব আদায় ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বন্দর দিয়ে আগে প্রচুর পরিমাণে চাল আমদানিতে শুল্ক আদায় বেশি হতো। দেশের বাজারে চালের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। সম্প্রতি ফারাক্কা ব্যারেজের সংস্কার কাজ শেষ হওয়ায় বন্দর দিয়ে আবারও পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে বন্দর দিয়ে বেশি শুল্কযুক্ত পণ্যের আমদানি বাড়লে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
