বাংলাদেশের ক্রিকেটকে সবসময় আলাদা চোখে দেখেন টিভি উপস্থাপিকা মিশু চৌধুরী। দেশের ক্রিকেটাররা যখন বিদেশের মাঠে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করে দেশকে জয় উপহার দেন, তখন আনন্দের মাত্রাটা অন্য সবার মতোই উপভোগ করেন মিশু। টিভির পর্দায় ক্রিকেটীয় সব প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন অতিথিদের। সময় টিভির লাইভ শোতে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনায় একেবারে গভীরে গিয়ে নতুন নতুন তথ্য তুলে আনেন। একজন দর্শকের যতরকম চাওয়া তার সবই পূরণ করার চেষ্টা দেখে মুগ্ধতা ছড়ায়। তাই হয়ত ম্যাচের আগে, ম্যাচ চলাকালীন এবং ম্যাচ শেষে ক্রিকেটের সব খুঁটিনাটি বিষয়গুলো তুলে ধরতে ক্লান্তি নেই এই উপস্থাপিকার। রবিবার ইংল্যান্ডের টনটনের মাঠে বিশ্বকাপের লড়াইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাত উইকেটে হারানোর ছবিগুলো দেশের মানুষ দেখেছেন অপলক দৃষ্টিতে। অন্য সবার মতোই বাংলাদেশের বিজয়গাঁথা সোনালি মুহূর্তগুলো মিশুর চোখ থেকেও মুছে যায়নি। সাকিব আল হাসানের অসাধারণ সেঞ্চুরি বাংলাদেশের বিজয় পতাকা উড়িয়েছে। পুরো বাংলাদেশকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। সাকিব যেভাবে প্রতিটি বল খেলে এগিয়েছিলেন তার মুন্সিয়ানায় সবার মতো মুগ্ধ মিশু চৌধুরী। ধারালো তলোয়ারের মতো ব্যাটিং দেখে মিশু বললেন, ‘অন্যরকম সাকিবকে দেখেছি। সাকিবকে একজন অভিভাবক হিসাবেই দেখছি। যে কি না হাল ধরতে পারেন।’ ক্রিকেটের আবেগে ভেসে নয়। উপস্থাপিকা হিসাবে এই মুহূর্তে সাকিবকে সামনে পেলে মিশু চৌধুরী প্রশ্ন রাখতে চান— এই মুহূর্তে আপনি বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসাবে দলের হাল ধরতে রাজি আছেন কি না।’ সাকিবকে অধিনায়ক রুপে দেখতে চান মিশু। তার যুক্তি সাকিব আগেও অধিনায়ক ছিলেন কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যেভাবে দলকে সামনের দিকে নিয়ে গেছেন সেটা সাকিবের ক্যারিয়ারে আলাদা এবং ভিন্ন মাত্রার। এটাকে অতুলনীয় বলেই শেষ করা যাবে না। সাকিবের খেলায় অনেক কিছুর ইঙ্গিত দেখেছেন মিশু। তাই হয়ত সাকিবকে মাঠের নেতা মানতে চান তিনি।
বাংলাদেশ দলে আর কোনো সাকিব মিশুর চোখে পড়ে না। তবে এ উপস্থাপিকা বললেন, ‘বিসিবির হাই পারফরম্যান্স স্কোয়াডে যারা আছেন তারা যেন সাকিব, মাশরাফিদের অবদানের কথা মাথায় রাখেন। কতোটা দায়িত্ব নিয়ে দেশের জন্য খেলতে হবে সেটা মাথায় রেখে যেন এগিয়ে যান।’
