কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নতুন করে আরও ১২ হাজার কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি) নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে নারীরা প্রাধান্য পাবেন। সরকারের অন্য ট্রাস্টের মতো এখানেও চাকরির নিশ্চিয়তা আছে বলে জানিয়েছেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। এখানে সরকারি বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও থাকবে। গতকাল রাজধানীর বিএমআরসি ভবনে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনির্ভাসেল হেলথ কাভারেজ বিষয়ক সংলাপ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টির আয়োজনে ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শাবান মাহমুদের পরিচালনায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইন্টারপার্লামেন্টারি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত বলেন, দেশে ৫০ শতাংশ ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ এসেছে। বিশ্ব চিত্রে এটা ৬৪ শতাংশ। কমিউনিটি ক্লিনিক ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজের প্রাথমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা দিতে হলে প্রতিবছর বাজেটে ১ শতাংশ করে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
কমিউনিটি ক্লিনিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে দেশব্যাপী ওয়ার্ড পর্যায়ে ১৩ হাজার ৫০০টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প চালুর পর এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮২২ জনকে সিএইচসিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশই নারী। এক হাজার ৯৩৫ জন নারী সিএইচসিপিকে সিএসবিএ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ২ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ কমিউনিটি গ্রুপ সদস্য এবং ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপ সদস্য ও নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনায় অংশগ্রহণ করছে। ২০০৯-২০১৭ সাল পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা গ্রহীতার মোট ভিজিটের সংখ্যা ৬৫ কোটিরও বেশি। ৩ হাজারের অধিক সংখ্যক কমিউনিটি ক্লিনিকে এই পর্যন্ত ৫৩ হাজারের বেশি স্বাভাবিক প্রসব সম্পন্ন হয়েছে।
