গতকাল মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এবং সিলেট স্ট্রাইকার্সের ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে পর্দা নেমেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসরের। এ ফাইনাল ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হয় গত বুধবার থেকেই। কথা ছিল ফাইনালের দিনও পাওয়া যাবে টিকিট। তবে গতকাল টিকিট কিনতে এসে হতাশ হতে হয়েছে দর্শকদের।
অধিক মূল্যে ব্ল্যাকে কিনতে হয় ফাইনালের টিকিট। গতকাল স্টেডিয়ামের বাইরে সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা যায়। মোহাম্মদ ইউনুস, কুমিল্লা থেকে সকালে বন্ধুদের সঙ্গে এসেছেন ইমরুল কায়েসদের সমর্থন দিতে তবে এসে পরেছেন বিড়ম্বনায়। টিকিট কাউন্টারে গিয়ে দেখেন বেলা ১১টায়ই বন্ধ হয়ে যায় টিকিট বুথ। ইউনুস জানান, তিনি টিকিট কিনেছেন তবে টিকিটের গায়ের মূল্য থেকে অধিক দামে। ইউনুসের বললেন,‘সকাল ৯ টা থেকে বুথের সামনে অপেক্ষা করেছি। কাউন্টার খুলে ১০০-১৫০টি টিকিট দেওয়ার পরই আমাদের বলে বন্ধ। টিকিট শেষ।’ তিনি বলেন, ‘এত দূর থেকে কষ্ট করে প্রিয় দলের খেলা ২খতে এসেছি, কিন্তু না দেখে কীভাবে ফিরে যাই? তাই কালোবাজার ছাড়া উপায় ছিল না। ৪০০ টাকার টিকিট ১ হাজার ৫০০ টাকা চাইছিল। পরে দামাদামি করেই ১ হাজার টাকা দিয়ে পাঁচটা টিকিট কিনেছি।’ শুধু ইউনুস নয় এমন কয়েক হাজার দর্শক কাউন্টারে টিকিট না পেয়ে কালোবাজার থেকে চড়া মূল্যে টিকিট কিনেছেন। এককথায় তারা কিনতে বাধ্যই হয়েছেন।
কালোবাজারিদের মুঠো ভর্তি টিকিট। বিক্রেতা বললেন তারা নিজেরাও কালোবাজারিদের কাছ থেকে টিকিট সংগ্রহ করেছেন। সেলিম নামের সেই টিকিট বিক্রেতা জানান—তার কাছে অনেকগুলো টিকিট রয়েছে। দাম জিজ্ঞাসা করলে ৩০০ টাকার টিকিটের দাম চাইলেন ৭০০ টাকা। জানালেন তার হাতে সব গেটের টিকিট রয়েছে।
