বাফুফে হলে আজ কতো সমালোচনার ঝড় বয়ে যেত। বিসিবিকে বলা হয় পেশাদার সংগঠন। অথচ তারা যে সংবাদ সম্মেলন ডেকে, না আয়োজন করা নিয়ে নাটক করতে পারেন তা দেখা গেল।
গতকাল বিসিবিতে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছিল বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজের টাইটেল স্পন্সরের নাম ঘোষণা করা হবে। নির্ধারিত সময়ে সংবাদ মাধ্যমের সবাই হাজির হলেও বিসিবির লোকজন নেই। আধ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও খবর নেই কারো। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে ঘড়ির কাঁটা ১২টা অতিক্রম করলেও বিসিবি ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্তার খবর নেই। ১২টা ৬ মিনিটে বিসিবি সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন এসে জানান, স্পন্সরশিপ প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কারণে হচ্ছেনা এ সংবাদ সম্মেলন- বলেই চলে যান তিনি। সব সাংবাদিক অবাক। এটা কি হলো।
কিছুক্ষণ পর আবারও ফিরে আসেন বিসিবি সিইও। এবার তিনি আর দাঁড়িয়ে কথা না বলে মঞ্চে বসে বললেন, আজ টাইটেল স্পন্সরের পূর্ব নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে না। আগামীকাল (আজ) আগের সময়ই (সকাল সাড়ে ১১টা) টাইটেল স্পন্সরের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’
অর্থাৎ সিরিজ শুরুর আগের দিন জানা যাবে কারা হচ্ছে এ সিরিজের টাইটেল স্পন্সর। এই ছোট্ট কথাটা সকালেই জানিয়ে দিতে পারত বিসিবি। সাংবাদিকদের বসিয়ে রেখে যদি এমন ঘোষণা দিতে হয় তাহলে ধরেই নেওয়া যায় বিসিবির সঙ্গে স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঝামেলা রয়েছে।
এরপর অবশ্য তিনি বেশ কিছু সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন সুজন। এ সময় তিনি জানান আগামী আয়ারল্যান্ড সিরিজ থেকেই দর্শকরা ঘরে বসে কাটতে পারবে গ্যালারির টিকিট। বিসিবি সিইও বলেন, ‘এবারও আমরা অনলাইনে টিকিট দিতে পারছি না। তবে মার্চে আয়ারল্যান্ড সিরিজের টিকিট আমরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেওয়া হলে দর্শকের দুর্ভোগ হয়ত কিছুটা কমবে।’
