ইংল্যান্ড বধের মিশন নিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। মিরপুরেরন শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় টাইগার অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লে'র ১০ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
ইংল্যান্ডের জন্য যেমন চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের স্লো পিচে মানিয়ে নেওয়া, বাংলাদেশের সামনে তেমন জোফরা আর্চার বা ক্রিস ওকসদের পেস-বাউন্সে কেমন করে তার পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় বাংলাদেশ উতরাবে কিনা সেটি জানা যাবে ম্যাচ শেষে। তবে আপাতত যেটুকু হলো তাতে বলা চলে চাইলে আরেকটু বেশি সফল পারতো।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই সাবলীলই দেখা গেছে তামিমকে। তবে লিটনের ওপর চাপটা যেন বেশিই ছিলো, ২২ গজে মানিয়ে নিতেই যেন হিমশিম খেতে হচ্ছিলো ক্ল্যাসিক এই ব্যাটারকে।
ক্রিস ওকসের প্রথম অভার থেকে তামিম নেন ৩ রান। দ্বিতীয় ওভারে আসেন জোফরা আর্চার। ওয়াইড, নো বলের ঘটনাবহুল এই অভার থেকে দুই চারে তামিম তোলেন ১২ রান। তামিমের সাবলীল ব্যাটিংইয়ে চার অভার শেষে ২৭ রান তোলে বাংলাদেশ।
ক্রিস ওকসের করা ৫ম ওভারের চতুর্থ বলে স্কয়ার লেগ দিয়ে ছয় মেরে হাত খোলার চেষ্টা করেছিলেন লিটনও। তবে পরের বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন এই অপেনার। ১৫ বল খেলে ৭ রান করেই ফেরেন সাজঘরে।
লিটন ফেরার পর কিছুটা ধীরগতিতে এগোতে থাকেন নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ধীরগতিতেই রানের চাকা সচল রাখেন তামিম। অষ্টম ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ওঠে ৪২ রান।
নবম ওভারে ক্রিস ওকসকে টান দুই বাউন্ডারিতে ৯ রান তোলেন শান্ত। পাওয়ার প্লে'র শেষ ওভারে গিয়ে বড় ধাক্কাটা খায় বাংলাদেশ। ১৪৯ কি.মি. গতিতে করা মার্ক উডের তৃতীয় বলটি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভেঙ্গে দেয় টাইগার অধিনায়কের স্ট্যাম্প। ৪ বাউন্ডারিতে ৩২ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তামিম।
পাওয়ার প্লে'র নির্ধারিত ১০ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান তুলতে পারে টাইগার বাহিনী। তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়ার চেষ্টায় রয়েছেন শান্ত আর মুশফিক।
