শুরুতেই ভালোর আশা জাগিয়েও পাওয়ার প্লে'তে ফিরেছিলেন দুই ওপেনার তামিম-লিটন। তৃতীয় উইকেটে আশা দেখাচ্ছিলেন ফর্মে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত আর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। বিপিএলে সিলেটের হয়ে খেলা এই দুই ব্যাটার জুটিও গড়ে তুলেছিলেন। এই জুটিতে ভর করেই যখন ১০০ পেরোনোর আশা তখনই ফিরলেন মুশফিক। শেষমেশ সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ২২তম ওভারে ৩ উইকেটে বাংলাদেশকে ১০০ রান পার করান শান্ত।
মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলো বাংলাদেশ। শুরুটা বেশ সাবলীলই করেছিলো অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ক্রিজের অপরপ্রান্তে লিটন দাস কিছুটা অস্বস্তিতে থাকলেও রানের গতি সচল রেখছিলেন তামিম। দলীয় ৩৩ রানে লিটন ফিরলেও শান্তকে নিয়ে ভালোই এগোচ্ছিলেন তামিম। তবে পাওয়ার প্লে'র শেষ ওভারে এসে ছন্দপতন হয় তারও। ৩২ বলে ২৩ রান করে ফেরেন টাইগার অধিনায়ক।
পাওয়ার প্লে'র ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৫৪ রান তোলে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে নতুন জুটি গড়েন শান্ত। দুজনের জুটিতে ধীরগতিতে রান তুলতে থাকে বাংলাদেশ। ১১ থেকে ১৪ ওভার পর্যন্ত কণ বাউন্ডারি ছাড়াই উইকেটে সেট হন দুজনে। ১৫ তম ওভারে এসে মঈন আলীকে বাউন্দারি মেরে রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন শান্ত। পরের ওভারে উডকেও বাউন্ডারি ছাড়া করেন শান্ত।
মঈন আলীর পরের ওভারে ছক্কা মারেন মুশফিক। বাউন্ডারি লাইনে ফিল সল্ট ক্যাচ ধরলেও তার পা স্পর্শ করে সীমানা প্রাচীরের অপর প্রান্তে। পরের ওভারে জীবন পান শান্তও। মিড উইকেটে জেসন রয় ক্যাচ নিলেও থার্ড আম্পায়ারের রিভিউতে দেখা যায় বল ধরার আগে টা স্পর্শ করেছিলো মাটি।
২০তম ওভারে এসে আরেকবার ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। আদিল রশিদের বলে ডিপ-মিড উইকেটে মার্ক উডের তালুবন্দি হন মুশফিক। ফেরার আগে করেন ৩৪ বলে ১৭ রান। ৯৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারাইয় বাংলাদেশ।
মুশফিকের পর ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। ২২তম ওভারের প্রথম বলে উইল জ্যাকসকে বাউন্ডারি ছাড়া করে দলীয় শতরান পার করেন সাকিব। ১০০ পেরোনোর পরের ওভারেই বড় ধাক্কাটা খায় টাইগার বাহিনী। মঈন আলীর ২৩তম ওভারের চতুর্থ বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় সাকিবকে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৩ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিইয়ে ১০৭ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ফর্মে থাকা নাজমুল শান্ত ব্যাট করছেন ৪৬ বলে ৪০ রান নিয়ে। ক্রিজে এসে তার সঙ্গে জুটি বেধেছেন অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
