স্পোর্টস রিপোর্টার
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ছয়ের বৃষ্টি করেছেন এউইন মরগ্যান। তাতে সঙ্গত করেছেন জো রুট, মঈন আলীরা। ফলে নানারকম রেকর্ড হয়েছে মঙ্গলবারের এই ম্যাচে। ফিরে দেখা যাক সেসব রেকর্ড।
মরগ্যান এই ম্যাচে ১৭টি ছক্কা মেরেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ। এর আগে ১৬টি করে ছক্কা মেরেছিলেন রোহিত শর্মা, এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ক্রিস গেইল। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬টি ছক্কা মারার রেকর্ড ছিলো গেইলের।
রশীদ খান ১১টি ছক্কা হজম করেছেন। ওয়ানডেতে যে কোনো বোলারের খরচ করা সবচেয়ে বেশি ছক্কা।
মরগ্যান সেঞ্চুরি করতে ব্যয় করেছেন ৫৭ বল। বিশ্বকাপে এটা চতুর্থ দ্রুততম সেঞ্চুরি।
রশীদ খান বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান ব্যয় করে ফেলেছেন। এর আগে এই রেকর্ড ছিলো মার্টিন স্নেডেনের। ওয়ানডে ইতিহাসেই রশীদ খানের চেয়ে খরুচে বোলিং আছে মাত্র একজনের।
রশীদ খানকে মরগ্যান ৭টা ছক্কা মেরেছেন। ওয়ানডেতে যে কোনো এক বোলারকে এক ব্যাটসম্যানের মারা সবচেয়ে বেশি ছক্কা। ৬টি করে ছক্কা এক ব্যাটসম্যানের কাছে অনেকেই হজম করেছেন। তবে এর মধ্যে জেসন হোল্ডার ব্যতিক্রম। তিনি এবি ডি ভিলিয়ার্সের কাছে দুইবার ৬টি করে ছক্কা হজম করেছেন।
ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা এই ইনিংসে ২৫টি ছক্কা মেরেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ ছক্কা। আগের রেকর্ড ছিলো ইংল্যান্ডেরই দখলে। তারা চলতি বছরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৪টি ছক্কা মেরেছিলো।
এবার বিশ্বকাপে মরগ্যানের মারা ছক্কার সংখ্যা। যে কোনো বিশ্বকাপের এক আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড হয়ে গেছে।
কোনো বিশ্বকাপে এর আগে ইংল্যান্ডের সবার মিলে মারা ছক্কার সংখ্যা ছিলো ২২। এবার মরগ্যানই ২২টা ছক্কা মেরে দিয়েছেন এর মধ্যে।
রশীদ খানের ইকোনমি রেট। এটা ৯ বা তার চেয়ে বেশি ওভার বল করা যে কোনো বোলারের সবচেয়ে খারাপ ইকোনমি রেট।
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিলো চলতি আসরেই বাংলাদেশের বিপক্ষে করা ৩৮৬ রান।
