ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার পরে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ডিপার্টমেন্ট থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে ডিপার্টমেন্ট। আবার ডিপার্টমেন্ট থেকে হল, হল থেকে ডিপার্টমেন্টে চক্রাকারে ঘুরতে হয় শিক্ষার্থীদের। পরিশোধ করতে হয় বিভিন্ন খাতে বেশ মোটা অঙ্কের টাকা। এর মধ্যে স্মার্ট আইডি কার্ড বাবদ দিতে হয় ৬০০ টাকা। প্রথম বর্ষের দিনগুলোতে পে-ইনস্লিপকেই আইডি কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আর পদে পদে ব্যাখ্যা করতে হয় কেন আইডি কার্ডের পরিবর্তে তারা এই লম্বা রশিদ নিয়ে ঘুরছে। সবচেয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় পাবলিক বাসে। বাসের কন্ট্রাক্টর কোনোভাবেই এটাকে আইডি কার্ড হিসেবে মেনে নিতে চায় না। এই নিয়ে বিভিন্ন সময়ে লাঞ্ছনারও শিকার হয়েছে শিক্ষার্থীরা। কিছুদিন পর হল আইডি কার্ড হলে সেটাকেই সর্বত্র ব্যবহার করা হয় পরিচয়পত্র হিসেবে। কিন্তু বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে এমন সস্তা হাতে লেখা আইডি কার্ড দেওয়া হয়—এটা অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় না। ‘ভর্তির দেড় বছরেও মেলেনি ঢাবির স্মার্ট আইডি কার্ড’—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে এমন একটি পোস্ট করা হলে কমেন্টের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে আরো অপ্রত্যাশিত তথ্য। একজনে বলেন, চতুর্থ বছরে এসে আইডি কার্ড পেয়েছি যার মেয়াদ আছে আর ৩৭ দিন! প্রশ্ন হচ্ছে, ঢাবির স্মার্ট আইডি কার্ড পেতে এই বিলম্বের কারণ কী?
রিফাত মাহদী
শিক্ষার্থী, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
