রোববার, ১১ জুন ২০২৩, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

বাখমুতে জেলেনস্কি, সেনাদের মেডেল দিলেন

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৩, ১০:৪৭

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম বাখমুতে গেলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পূর্ব ইউক্রেনের বাখমুতে রাশিয়ার সেনা ও রাশিয়ার প্রাইভেট আর্মির সঙ্গে প্রবল লড়াই হচ্ছে ইউক্রেনের সেনাদের। ইউক্রেন দাবি করেছিল, বাখমুত এখন তাদের দখলে। যদিও রাশিয়া তা মানতে চায়নি। 

এই পরিস্থিতিতে এই প্রথম বাখমুতে ফ্রন্ট লাইনে গেলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সেনাদের সঙ্গে শুধু হাত মেলালেন তাই নয়, ফ্রন্ট লাইনেই তাদের পদক দিলেন। ডোনেটস্ক এলাকার এই শহর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে ইউক্রেনের সেনা। 

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম বাখমুতে গেলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

বস্তুত, গত কয়েক মাস এই শিল্প এলাকা কার্যত অবরোধ করে রেখেছিল তার। অভিযোগ, রাশিয়ার ওয়াগনার আর্মি এই এলাকা দখল করে রেখেছিল। ইউক্রেন তাদের হাত থেকে এই জায়গা উদ্ধার করেছে বলে দাবি। বাখমুতে ৮০ হাজার মানুষ বাস করতেন। 

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তা দশ হাজারে নেমে এসেছে বলে ইউক্রেনের দাবি। এদিকে, গত মঙ্গলবার (২১ মার্চ) ইউক্রেনের জন্য ১৫ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলারের ফান্ড ঘোষণা করেছে আইএমএফ। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের সামাজিক সংস্কারের জন্য এই ফান্ড ব্যবহার করা হবে। 

বাখমুতে ৮০ হাজার মানুষ বাস করতেন। 

গত ৭৭ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড (আইএমএফ) প্রথম কোনো যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের জন্য ফান্ড ঘোষণা করল। বুধবার (২২ মার্চ) ইউক্রেনের পার্লামেন্টে ন্যাটোয় যোগ দেওয়া নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক হয়েছে। 

সুইডেনের আদৌ ন্যাটোয় যোগ দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন সাংসদরা। ভোটাভুটিতে অধিকাংশ সাংসদ ন্যাটোয় যোগ দেয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন। ২৬৯-৩৭ ভোটে প্রস্তাব জয়লাভ করেছে। বামপন্থিরা ও গেরিন পারেটির সদস্যরা প্রস্তাব সমর্থন করেননি।

গত ৭৭ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড (আইএমএফ) প্রথম কোনো যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের জন্য ফান্ড ঘোষণা করল।

সুইডেনের পার্লামেন্ট প্রস্তাবের পক্ষে সওয়াল করলেও ন্যাটোর অন্যতম সদস্য তুরস্ক এখনো সুইডেনকে ন্যাটোর সদস্যপদ দিতে নারাজ। তাদের বক্তব্য, সুইডেন তুরস্কের জঙ্গিগেষ্ঠীগুলোকে সমর্থন করে। তারা কুর্দ বিদ্রোহীদের সমর্থন করে। 

সম্প্রতি কোরআন বিতর্কের পরেও তুরস্ক সুইডেনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে সুইডেনের পার্লামেন্টের এই অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইত্তেফাক/ডিএস