জননী সাহসিকা কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আজ নারী সমাজ যে অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে, সেই জাগরণে সমস্ত রকম সমাজ বিকাশের আন্দোলনে আগুনের পরশমনি ছুঁয়ে সুফিয়া কামাল সবাইকে নব নব প্রাণে উজ্জীবিত করেছেন জীবনভর। নতুন প্রজন্ম তাঁর এই প্রতিবাদী কর্মময় জীবন থেকে প্রাণিত হবে, নারী মুক্তির আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
কবি সুফিয়া কামালের ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গতকাল বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ‘সুফিয়া কামাল ও সমাজ বিকাশের আন্দোলন’ শীর্ষক সুফিয়া কামাল স্মারক বক্তৃতা ও সুফিয়া কামাল সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এ বছর কবি সুফিয়া কামাল সম্মাননা প্রদান করা হয় একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরকে। ‘সুফিয়া কামাল ও সমাজ বিকাশের আন্দোলন’ শীর্ষক সুফিয়া কামাল স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন অধ্যাপক কাজী মদিনা। স্বাগত বক্তৃতা রাখেন মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। সভাপতিত্ব করেন মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মালেকা বেগম ও রাখী দাশ পুরকায়স্থ। শাহরিয়ার কবির দেশের বাইরে থাকায় তাঁর মেয়ে অর্পিতা শাহরিয়ারের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। শাহরিয়ার কবিরের কর্মময় জীবনের সারমর্ম তুলে ধরেন পরিষদের আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক রাখী চৌধুরী। অনুষ্ঠানে দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন কবি সুফিয়া কামালের মেয়ে সাইদা কামাল।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই কবির প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন সুরতীর্থের শিল্পীরা। সুফিয়া কামালের কর্মময় জীবনের উপরে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।
এদিকে ছায়ানট আজ সন্ধ্যা সাতটায় কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ছায়ানট মিলনায়তনে বর্ষা উত্সবের আয়োজন করেছে।
