আইসিসি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বাকি ম্যাচগুলোতে কেমন করবে বা পাঠকরা কেমন ম্যাচ দেখতে চান তা আগ্রহী পাঠকদের টেলিফোন কিংবা ই-মেইলের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ দল নিয়ে তারা যে আশা ব্যক্ত করেছেন তা তুলে ধরা হলো—
বাংলাদেশের সামনে যে ৪টি খেলা রয়েছে সেগুলো হবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। রয়েল টাইগারদের শারীরিক নৈপুণ্যের সঙ্গে মানসিক নৈপুণ্য ও শক্তি ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশি টাইগারদের জয় লাভের প্রধান সহায়ক শক্তি হতে পারে ইচ্ছা ও আত্মশক্তি। এই বিষয়গুলো মনে রাখলে অবশ্যই তারা লাভবান হবেন। আমরা সব সময় তাদের মঙ্গল ও বিজয় কামনা করছি।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
গত মঙ্গলবার সবুজ শ্যামলিমা বাংলাদেশে নিয়ে এলো সুখের পরশ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে, পথেঘাটে, অলিতে গলিতে, পাড়া-মহল্লায়, গ্রামেগঞ্জে, আবালবৃদ্ধবনিতার আবেগের রঙও লাল-সবুজে। কঠিন সময় সামনে; আমরা আশা করছি বাংলাদেশ দল তাদের দৃঢ় মনোবল ও চিন্তা-চেতনা এবং সাহস নিয়ে এগিয়ে যাবে দুর্বার গতিতে।
হোসেন আরা করিম
হাজারীবাগ, ঢাকা।
আইসিসি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে জানাচ্ছি রক্তিম শুভেচ্ছা। কঠিন প্রতিপক্ষ হলেও ওয়েস্টইন্ডিজ এর সঙ্গে ৭ উইকেটে জয়লাভ সত্যি বিস্ময়কর বটে। অত্যন্ত সাহসিকতা, শক্ত মনোবল, ক্রীড়া নৈপুণ্য, বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি বিষয়গুলো আমাদের নাড়া দিয়েছে। বাংলাদেশ দল এগিয়ে যাক দুর্বার গতিতে সেই কামনায় থাকলাম।
মো. মেসবাহ সেলিম
ইব্রাহিমপুর, ঢাকা।
ক্যারিবীয় অহমিকা চূর্ণ করে ৩২১-এর পাহাড় ডিঙিয়ে সাকিব-লিটনের উদ্ধত ব্যাটে ৭ উইকেটের জয়লাভ বাংলাদেশের সেমি স্বপ্ন রংধনুর রঙ-রাঙিয়ে দিল। যদিও সামনের ম্যাচগুলোতে জয়ী হতে হবে বাংলাদেশকে। আত্মপ্রত্যয়, দৃঢ়চেতনা, শক্ত মনোবল শারীরিক নৈপুণ্য ইত্যাদি বিষয়গুলো এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি।
লাবণ্য
ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
আজিমপুর, ঢাকা।
ব্যাটে বলে সাকিবের জ্বলে ওঠার দিনে রানের পাহাড় গড়েও বাংলাদেশের কাছে পাত্তা পায়নি ওয়েস্টইন্ডিজ। বাহ! বাহ! সাবিক-লিটন তোমাদের জানাই অনেক অনেক ভালোবাসা ও এক গুচ্ছ গোলাপের শুভেচ্ছা। সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ হলেও আমাদের আশা তোমরা চারটি ম্যাচেই জয়লাভ করে সেমি স্বপ্নে ওঠবে। এমতাবস্থায়, আমাদের প্রত্যাশা তোমাদের দৃঢ় মনোবল ও সাহস নিয়ে এগিয়ে চলা।
আজাদ/মনজু
উত্তরা, ঢাকা।
ওয়েস্টইন্ডিজকে হারিয়ে সেমির স্বপ্ন উজ্জ্বল। চিরসবুজ সাকিব আল হাসানের ম্যাচ জয়ী। বাংলাদেশের বিশাল জয়ের দীপ জ্বালিয়ে উজ্জ্বল করল সেমির স্বপ্ন। আমাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠে আসবে। বাংলাদেশ দলকে নিয়ে আমাদের সবার প্রত্যাশা হয়ত পূরণ হবে। জেগে থাকুক বাংলার টাইগাররা, জয়ের মুকুট নিয়ে ফিরে আসুক স্বদেশে।
রিফাত
শান্ত মারিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা, ঢাকা।
আইসিসি বিশ্বকাপে সাকিবের হারমোনিয়াম যেন এবার ছন্দে ফিরে গেছে। অনেক ধন্যবাদ সাকিব আল হাসান। ৬ হাজার রান এবং ২৫০ উইকেটের কথা ডাবলে দ্রুততম সাকিব। এই সেঞ্চুরিতেই মিশে আছে বাংলাদেশের স্মরণীয় জয়ের উত্সব। আমরা চাই, সামনে ম্যাচগুলো জয়লাভ করবে এবং সেমি স্বপ্বে ওঠে আসবে বাংলাদেশ।
বুশরা
আজিমপুর সরকারি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ
আজিমপুর, ঢাকা।
সত্যিই এক অনন্য সাকিব আল হাসান। আরেক অবিশ্বাস্য জয়। সামনে আরো কঠিন প্রতিপক্ষ হলেও আমাদের আশা সবগুলো ম্যাচে জয়ী হয়ে আসবেন। সত্যি হবে সেমির স্বপ্ন। সাকিব আল হাসান আরো ভালো করুন । এমন প্রত্যাশা ও দোয়া রইল। ব্যাটে ঝড় উঠেছে। থামলে চলবে না।
নার্গিস সুলতানা
কাশমিরি টোলা, লালবাগ, ঢাকা।
স্বর্ণালি প্রজন্মের সেরা একটি দল নিয়ে ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলতে গেছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ দল বেশ দৃঢ়তার সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে- সেমিফাইনাল খেলার লক্ষ্যের কথা। সেমিফাইনাল খেলতে হলে পেরুতে হবে প্রথম রাউন্ডের গণ্ডি। এবারের বিশ্বকাপ যেহেতুে অন্যবারের তুলনায় ভিন্ন অর্থাত্ প্রত্যেকটি দলকে এক অন্যের মুখোমুখি হতে হবে সেক্ষেত্রে পথটা বেশ কঠিনই বলা চলে। কিন্তু সে কঠিন পথ জয় করার সামর্থ্য যে বাংলাদেশ দলের আছে তা তারা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে শক্তিধর দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১ রানে হারিয়েই প্রমাণ করেছে। অধিনায়ক মাশরাফি তো নিজেই বলেছেন, বাংলাদেশ দল ফাইনাল খেললে সেটিও অঘটন হবে না। এই বাংলাদেশ এতটাই আত্মপ্রত্যয়ী, এতটাই সাহসী। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার গ্রহণকালে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, এ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনেক কিছুই প্রমাণ করার আছে। সত্যিই, এখনই উপযুক্ত সময় বিশ্বকে দেখিয়ে দেওয়ার এই বাংলাদেশ দল কি না করতে পারে!
হাবিবুর রনি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলকে বিভিন্ন সময়ে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সে তুলনায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখন খর্বশক্তির দল। এই বিশাল জয় সত্যিই মনে রাখার মতো একটি জয়। বাংলাদেশ সেমিফাইনালের সুবাসিত স্বপ্নের পথে এখন। যদিও পথ এখনো কঠিন। আমরা আশা করবো, ৪টি ম্যাচেই জয়ী হয়ে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠে আসবে।
বজলুল
এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা
আইসিসি বিশ্বকাপে অবিস্মরণীয় জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ। টাইগারদের দাপটে জয় স্বাগত জানাচ্ছি দলের সবাইকে। সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের শুভ কামনা রয়েছে তাদের প্রতি। জাতীয় ঐক্যের প্রতীক জাতীয় ক্রিকেট দলকে আমাদের অভিনন্দন।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাদহ
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। যদিও বিশ্বকাপে আরো ৪টি ম্যাচ বাকি বাংলাদেশের। কঠিন প্রতিপক্ষ হলেও ৪টি ম্যাচেই জয়ী হয়ে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠে আসবে এমনটি আমাদের প্রত্যাশা।
আল-মায়ামী
ফুলবাড়িয়া, সাভার
বিশ্বমঞ্চে নিজেদেরকে নতুনভাবে চেনানোর যে মিশনে নেমেছেন বাংলাদেশ টিম সেটিই সাফল্যের পথে দলকে আরো দ্রুত এগিয়ে দিলো। সাকিবের ব্যাটসম্যানশিপের বড় একটি বার্তাও ঘোষিত হলো যেন। লিটন মেলে ধরলেন নিজের ঝলমলে দুর্দান্ত ব্যাটিং। তিনশর বেশি রান তাড়ায় এমন দাপুটে জয়, একসময় কেবল স্বপ্নই দেখতো দল। আমি মনে করি বড় দলগুলোর মতো পুরোদস্তুর ক্রিকেট শর্ট খেলেই এমন রান তাড়া করা সম্ভব হয়েছে। অবশ্যই বাংলাদেশ উঠেছে নতুন লেভেলে। ‘লেভেল’ পেরিয়ে নতুন উচ্চতায় পা রাখার এই ধারা চলতেই থাকবে। প্রতিকূলতা আর সীমাবদ্ধতা অনেক, আমাদের প্রত্যাশা একদিন বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয় করবে।
অমিত বণিক,
উত্তরা, ঢাকা।
অন্য সবার মতো আমিও চাই বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলুক। তারপরও গোল বলের খেলা। যে কোনো কিছুই ঘটতে পারে। অনেক সময় জেতা ম্যাচও হেরে যায় আবার হারা ম্যাচও জিতে যায়। তিন বিভাগে ভালো খেলার পাশাপাশি অনেক সময় ভাগ্যেরও ছোঁয়া লাগে। সে ভাগ্যটাও যেন আমাদের পক্ষেই থাকে, সবসময়। ক্রিকেট স্রেফ একটা খেলা। এই খেলাকে খেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। কারো জয়-পরাজয়ে নয়, বাংলাদেশ তার নিজ যোগ্যতায় সেমিফাইনাল, ফাইনাল, এমনকি একদিন বিশ্বকাপও জিতবে। মনে রাখবেন, সেদিন কিন্তু আর খুব বেশি দূরে নয়! এমনকি সেটা এই ২০১৯ চলতি বিশ্বকাপেই হয়ে যেতে পারে।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
আমরা ক্রমোন্নতির মধ্যদিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে শুধু হাঁটছিই না বরং দৌড়াচ্ছি। আমাদের দলের আত্মবিশ্বাসের বড় জায়গা- আমাদের পঞ্চপাণ্ডব (মাশরাফি, তামিম, সাকিব, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ)। কিন্তু ক্রিকেট যে দিনশেষে দলীয় খেলা, পুরো দল সেটা বুঝতে শিখেছে এবং প্রয়োজনীয় মুহূর্তে সকলেই কিছু কিছু দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারছেন। এসবই আমাদের সাফল্যের মূল মন্ত্র। কথায় বলে একটি শুভ আরম্ভ মূল কাজের অর্ধেকটা সম্পন্ন করে দেয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে যেভাবে উড়িয়ে দিলো তাতে স্বপ্নের ডালপালা বিস্তৃত হবে, বলাই বাহুল্য।
মোছা. বিলকিছ আক্তার
সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।
বাইরে থেকে আইসিসি বিশ্বকাপ জয়ের বিষয়ে আমরা যে যাই বলি এবং ভাবি না কেন, মূল কথা হলো আমাদের ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের ফিটনেস, মনোবল, আর খেলার কৌশল ও জয়ের মনোবল— এইগুলো যদি না থাকে তাহলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তা না হলে আশা করা যায় আগামী চারটি ম্যাচে এই উদ্যম এবং মনোবল নিয়ে আমরা জয়ের জন্য খেলতে পারি, তাহলে সেমির স্বপ্নে উঠতে সক্ষম হবো। সে বিষয়ে আমাদের সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া কর্তৃপক্ষকে বিশেষ নজর দিতে হবে বলে আমি মনে করি।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)
সভাপতি, বৃহত্তর কুমিল্লা জনকল্যাণ সমিতি,
হাউজিং স্টেট, রাজশাহী-৬২০২
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৭ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ এখন সেমিফাইনালের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সামনে রয়েছে আরো চারটি ম্যাচ। সেগুলোও জয় করে নিতে হবে। সবমিলে ক্রিকেট খেলোয়াড়দের শারীরিক নৈপুণ্য ও ফিটনেস ও মনোবলের প্রতি যত্নবান হতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ফারুক আলম
মালিবাগ, ঢাকা।
ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে লাখ লাখ প্রাণ বিসর্জন, স্বৈরাচার-বিরোধী গণ-অভ্যুত্থানসহ অনেক বড় বড় সাফল্যময় ইতিহাস স্থাপন করে বিশ্বের কাছে অনন্য দৃষ্টান্ত বহন করেই আজকের গৌরবান্বিত বাংলাদেশ, সাবাশ বাংলাদেশ। আইসিসি বিশ্বকাপে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েও বাকি চারটি ম্যাচ জয় করে সেমিফাইনালে উঠবেই উঠবে বাংলাদেশ দল। এই দৃঢ়বিশ্বাস বাংলার সকল প্রাণের।
মো. আব্দুর রাজ্জাক নাছিম
নির্বাহী পরিচালক, স্বাধীন জীবন
চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বের যে কোনো দলকে হারানোর সক্ষমতা অনেক আগেই অর্জন করেছে। এখন শক্তিশালী যে কোনো দলকে হারাতে হলে বাংলাদেশ দলকে বাঘের ন্যায় প্রত্যেকটি খেলোয়াড়কে প্রবল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের সেরা বোলিং ব্যাটিং এবং ফিল্ডিং করতে হবে। সেইসঙ্গে ব্যাটিং জুটির মধ্যে থাকতে হবে নিবিড় সমন্বয়, যাতে ভুল বুঝাবুঝি না হয়। আর সমর্থকদের উত্সাহ-উদ্দীপনায় খেলোয়াড়রা উজ্জীবিত থাকলে সেমিফাইনালে যাওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে না।
মোহাম্মদ ইসলাম
পুরানা পল্টন, ঢাকা।
ক্রিকেট সর্ব প্রথমবারের চ্যাম্পিয়ন দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আর একটি কঠিন দল সাউথ আফ্রিকাকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান তার পারফরমেন্স দিয়ে হারিয়ে প্রমাণ করেছে যে, সে হারিয়ে যায়নি। এখন বাংলাদেশের জনগণের আশার প্যারাসুট অনেক ঊর্ধ্বে। হয়তো একদিন বাংলাদেশ এই সাকিবের হাত ধরে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
খন্দকার কামরুজ্জামান
৩৬৩/১০ উত্তর পীরেরবাগ
মিরপুর, ঢাকা।
