বিশ্বকাপে খেলছেন বিরাট কোহলি, জো রুট থেকে শুরু করে দুনিয়ার সব দামি ক্রিকেটার। কিন্তু এই বিশ্বকাপের ১৫০ জন ক্রিকেটারের পরিসংখ্যানই বিশ্লেষণ করে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দল টেলিগ্রাফ মূল্যায়ন করেছে, এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। এবার বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সাকিবের। প্রথম দুই ম্যাচে ৭৫ ও ৬৪ রান করেন। এর পরের দুই ম্যাচেই সেঞ্চুরি করেছেন—১২১ ও ১২৪*। এর পাশাপাশি দারুণ ইকোনমিতে বল করে তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। টেলিগ্রাফ বলছে, একটা দলের সেরা বোলার ও সেরা ব্যাটসম্যান একই খেলোয়াড়; এমন ঘটনা ইতিহাসেই বিরল। তাই টেলিগ্রাফের সাকিবকে নিয়ে মূল্যায়ন হলো, ‘শুধু একজনকে আপাতদৃষ্টিতে তার দেশের সেরা ব্যাটসম্যান ও সেরা বোলার হিসেবে দাবি করা যায়। তার নাম সাকিব আল হাসান, নিঃসন্দেহে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে সেরা খেলোয়াড়।’
২০০০ সালে বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া এবং সাকিবের বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়া বাংলাদেশের ক্রিকেটের দুটি স্মরণীয় বাঁক বলে দাবি করেছে টেলিগ্রাফ। তারা একই সঙ্গে বলেছে, এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বাইরের পৃথিবীতে বেশিরভাগ সময়ই তার প্রাপ্য মূল্য পান না। টেলিগ্রাফ লিখেছে, ‘সাকিবকে তার প্রাপ্য মূল্য না দেওয়ার একটা প্রবণতা আছে। এটা অদ্ভুত। ভক্তরা তার চমত্কার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ও ইন্ডিয়ান পি মিয়ার লিগ পারফরম্যান্স উপভোগ করে। আইসিসি খেলোয়াড় র্যাংকিংয়ে ২০১৫ সালে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে তিন ফরম্যাটের সবকটিতে একই সঙ্গে শীর্ষস্থানে ছিলেন। কিন্তু সাকিবকে নিয়ে এই অবমূল্যায়ন একটা অন্তর্নিহিত সত্যি তুলে ধরেছে: তিনি এই খেলার কোনো ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করেন না। তাই তার বহুবিধ এই প্রতিভাকে অনেকে সহজে উপেক্ষা করে। এর একটা অন্যতম উদাহরণ হলো, ২০১১ সালের পর থেকে অস্ট্রেলিয়া কেবল একটি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশের সঙ্গে।’
